
হলিউডের কোনো রোমাঞ্চকর সিনেমার চিত্রনাট্যকেও হার মানায় এই বাস্তব ঘটনা। বাল্টিক সাগরের তলদেশে নর্ড স্ট্রিম গ্যাস পাইপলাইনে ইতিহাসের অন্যতম বড় নাশকতা নিয়ে তৈরি হচ্ছিল চলচ্চিত্র। আর সেই সিনেমার সেটেই সামরিক পরামর্শক হিসেবে কাজ করার সময় গ্রেপ্তার হলেন ওই বিস্ফোরণের অন্যতম মূল সন্দেহভাজন ব্যক্তি!
২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে রাশিয়া থেকে জার্মানিতে প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহের নর্ড স্ট্রিম ১ ও ২ পাইপলাইনে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। আন্তর্জাতিক জলসীমায় ঘটা এই ধ্বংসাত্মক হামলায় কোটি কোটি ডলারের সম্পদ বিনষ্টের পাশাপাশি ইউরোপের ভূরাজনীতিতে দেখা দেয় তুমুল অস্থিরতা। দীর্ঘ তদন্তের পর ক্রোয়েশিয়া থেকে সম্প্রতি গ্রেপ্তার করা হয়েছে ইউক্রেনীয় পেশাদার স্কুবা ডুবুরি ভলোদিমির ঝুরাভলেভকে। কাকতালীয়ভাবে, গ্রেপ্তার করার সময় তিনি ‘স্নেক আইল্যান্ড’ নামক একটি হলিউড চলচ্চিত্রের সেটে কাজ করছিলেন—যে সিনেমাটি মূলত নর্ড স্ট্রিম হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করেই নির্মিত হচ্ছে।
জার্মান আদালতের নথিপত্রে ‘ভ্লাদিমির জেড’ নামে উল্লেখিত এই ব্যক্তি পেশায় একজন প্রবীণ ডাইভিং প্রশিক্ষক। কিয়েভের একটি বিখ্যাত ডাইভিং স্কুলের সঙ্গে যুক্ত এই ইউক্রেনীয় নাগরিক দীর্ঘদিন ধরেই জার্মান তদন্তকারীদের নজরদারিতে ছিলেন। যদিও ঝুরাভলেভ শুরু থেকেই এই নাশকতায় তাঁর সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করে আসছেন।
এর আগে ২০২৪ সালে পোল্যান্ডে অবস্থানকালে জার্মানির জারি করা ইউরোপীয় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা এড়াতে সক্ষম হন তিনি। সে সময় পোলিশ আদালত তাঁকে জার্মানির হাতে তুলে দিতে অস্বীকৃতি জানায়। পোল্যান্ডের আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউক্রেনের আত্মরক্ষামূলক যুদ্ধে এই ধরনের হামলাকে একধরনের যৌক্তিক পদক্ষেপ হিসেবেও বিবেচনা করা যেতে পারে। তবে এবার ক্রোয়েশিয়ায় পৌঁছালে তাঁকে আটক করে স্থানীয় পুলিশ। ঝুরাভলেভের আইনজীবীরা এখন তাঁকে জার্মানিতে প্রত্যর্পণ ঠেকানোর আইনি লড়াই চালাচ্ছেন।
উল্লেখ্য, প্রায় ১ হাজার ১০০ কোটি ডলার ব্যয়ে নির্মিত নর্ড স্ট্রিম পাইপলাইন প্রকল্পটি ইউরোপের শক্তির বাজার নিয়ন্ত্রণে রাশিয়ার অন্যতম মূল হাতিয়ার ছিল। এটি ইউক্রেনকে পাশ কাটিয়ে নির্মিত হওয়ায় কিয়েভ প্রচুর ট্রানজিট ফি থেকে বঞ্চিত হচ্ছিল। বিস্ফোরণের পেছনের রূপকারদের খুঁজে বের করতে সুইডেন ও ডেনমার্ক তাঁদের তদন্ত স্থগিত করলেও জার্মানি এককভাবে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। জার্মান কৌঁসুলিদের দাবি, পেশাদার ডুবুরি ও বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞদের একটি দল জাল পাসপোর্ট ও ভাড়া করা ইয়াট ব্যবহার করে বাল্টিক সাগরের তলদেশে সামরিক মানের টাইম-ফিউজ বিস্ফোরক স্থাপন করেছিল। বাস্তব জীবনের এই নাটকীয় ঘটনা এখন বিশ্ব রাজনীতি ও বিনোদন অঙ্গনে সমানভাবে আলোচনার কেন্দ্রে।
২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে রাশিয়া থেকে জার্মানিতে প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহের নর্ড স্ট্রিম ১ ও ২ পাইপলাইনে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। আন্তর্জাতিক জলসীমায় ঘটা এই ধ্বংসাত্মক হামলায় কোটি কোটি ডলারের সম্পদ বিনষ্টের পাশাপাশি ইউরোপের ভূরাজনীতিতে দেখা দেয় তুমুল অস্থিরতা। দীর্ঘ তদন্তের পর ক্রোয়েশিয়া থেকে সম্প্রতি গ্রেপ্তার করা হয়েছে ইউক্রেনীয় পেশাদার স্কুবা ডুবুরি ভলোদিমির ঝুরাভলেভকে। কাকতালীয়ভাবে, গ্রেপ্তার করার সময় তিনি ‘স্নেক আইল্যান্ড’ নামক একটি হলিউড চলচ্চিত্রের সেটে কাজ করছিলেন—যে সিনেমাটি মূলত নর্ড স্ট্রিম হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করেই নির্মিত হচ্ছে।
জার্মান আদালতের নথিপত্রে ‘ভ্লাদিমির জেড’ নামে উল্লেখিত এই ব্যক্তি পেশায় একজন প্রবীণ ডাইভিং প্রশিক্ষক। কিয়েভের একটি বিখ্যাত ডাইভিং স্কুলের সঙ্গে যুক্ত এই ইউক্রেনীয় নাগরিক দীর্ঘদিন ধরেই জার্মান তদন্তকারীদের নজরদারিতে ছিলেন। যদিও ঝুরাভলেভ শুরু থেকেই এই নাশকতায় তাঁর সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করে আসছেন।
এর আগে ২০২৪ সালে পোল্যান্ডে অবস্থানকালে জার্মানির জারি করা ইউরোপীয় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা এড়াতে সক্ষম হন তিনি। সে সময় পোলিশ আদালত তাঁকে জার্মানির হাতে তুলে দিতে অস্বীকৃতি জানায়। পোল্যান্ডের আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউক্রেনের আত্মরক্ষামূলক যুদ্ধে এই ধরনের হামলাকে একধরনের যৌক্তিক পদক্ষেপ হিসেবেও বিবেচনা করা যেতে পারে। তবে এবার ক্রোয়েশিয়ায় পৌঁছালে তাঁকে আটক করে স্থানীয় পুলিশ। ঝুরাভলেভের আইনজীবীরা এখন তাঁকে জার্মানিতে প্রত্যর্পণ ঠেকানোর আইনি লড়াই চালাচ্ছেন।
উল্লেখ্য, প্রায় ১ হাজার ১০০ কোটি ডলার ব্যয়ে নির্মিত নর্ড স্ট্রিম পাইপলাইন প্রকল্পটি ইউরোপের শক্তির বাজার নিয়ন্ত্রণে রাশিয়ার অন্যতম মূল হাতিয়ার ছিল। এটি ইউক্রেনকে পাশ কাটিয়ে নির্মিত হওয়ায় কিয়েভ প্রচুর ট্রানজিট ফি থেকে বঞ্চিত হচ্ছিল। বিস্ফোরণের পেছনের রূপকারদের খুঁজে বের করতে সুইডেন ও ডেনমার্ক তাঁদের তদন্ত স্থগিত করলেও জার্মানি এককভাবে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। জার্মান কৌঁসুলিদের দাবি, পেশাদার ডুবুরি ও বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞদের একটি দল জাল পাসপোর্ট ও ভাড়া করা ইয়াট ব্যবহার করে বাল্টিক সাগরের তলদেশে সামরিক মানের টাইম-ফিউজ বিস্ফোরক স্থাপন করেছিল। বাস্তব জীবনের এই নাটকীয় ঘটনা এখন বিশ্ব রাজনীতি ও বিনোদন অঙ্গনে সমানভাবে আলোচনার কেন্দ্রে।

0 Comments