
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সানুহার–ধামুরা–সাতলা সড়কটি দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে বেহাল দশায় পড়ে রয়েছে। ২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কের প্রায় পুরোটাই এখন ছোট-বড় খানাখন্দ ও কাদাপানিতে ভরা। ফলে প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে অন্তত পাঁচটি ইউনিয়নের দেড় লাখ মানুষকে। এছাড়া বিখ্যাত সাতলার 'পদ্মবিল' পরিদর্শনে আসা পর্যটকরাও পড়ছেন মারাত্মক বিপাকে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০১ সালের শেষ দিকে নির্মিত এই সড়কটিতে গত আট বছর কোনো বড় ধরনের সংস্কার কাজ হয়নি। সড়কটি দিয়ে সাতলা, হারতা, জল্লা, শোলক ও বামরাইল ইউনিয়নের প্রায় ৩০ হাজার মানুষ প্রতিদিন উপজেলা সদর, হাসপাতাল, ব্যাংক ও বিভিন্ন দপ্তরে যাতায়াত করেন। বর্তমানে ইটের সোলিং ও পিচ উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টি হলে এসব গর্তে পানি জমে সড়কটি মরণফাঁদে পরিণত হয়। অটোরিকশা, বাস ও ট্রাক প্রায়ই উল্টে গিয়ে ঘটছে দুর্ঘটনা, বিকল হচ্ছে যানবাহনের যন্ত্রাংশ।
সড়ক সংস্কারের নামে তৈরি হয়েছে নতুন অনিশ্চয়তা। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে প্রায় ৪৫ কোটি টাকা ব্যয়ে সড়কটি ১২ ফুট থেকে ১৪ ফুটে প্রশস্ত করার জন্য তিনটি প্যাকেজে দরপত্র আহ্বান করেছিল এলজিইডি। এর মধ্যে ১৬ কিলোমিটার অংশের কাজ পায় পিরোজপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন মহারাজের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান 'ইফতি-ইটিসিএল'। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর মহিউদ্দিন মহারাজ দেশ ছেড়ে পালালে ওই প্রতিষ্ঠানের সংস্কার কাজ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।
অন্য একটি প্যাকেজে জল্লা থেকে সাতলা পর্যন্ত আট কিলোমিটার সড়কের কাজ আমিন ইঞ্জিনিয়ারিং নামের একটি প্রতিষ্ঠান চালিয়ে গেলেও, বাকি অংশের কাজ আটকে থাকে। পরবর্তীতে মে মাসে বন্ধ থাকা অংশের ৮ কিলোমিটারের জন্য নতুন দরপত্র আহ্বান করা হলে ভৈরবের মেসার্স মোমিনুল হক নামের প্রতিষ্ঠান কার্যাদেশ পায়। কিন্তু এখনো একটি প্যাকেজের কাজ উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবে (ডিপিপি) অন্তর্ভুক্ত না হওয়ায় দরপত্র আহ্বানই করা সম্ভব হয়নি।
ভোগান্তির কথা জানিয়ে শোলক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সরদার আবদুল হালিম ও সুজন সাধারণ সম্পাদক মো. মাহফুজুর রহমান জানান, গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা হতাশাজনক। পর্যটন এলাকা এবং সাধারণ মানুষের যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম হওয়ায় অনতিবিলম্বে পুরো সড়কটির টেকসই সংস্কার কাজ শেষ করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০১ সালের শেষ দিকে নির্মিত এই সড়কটিতে গত আট বছর কোনো বড় ধরনের সংস্কার কাজ হয়নি। সড়কটি দিয়ে সাতলা, হারতা, জল্লা, শোলক ও বামরাইল ইউনিয়নের প্রায় ৩০ হাজার মানুষ প্রতিদিন উপজেলা সদর, হাসপাতাল, ব্যাংক ও বিভিন্ন দপ্তরে যাতায়াত করেন। বর্তমানে ইটের সোলিং ও পিচ উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টি হলে এসব গর্তে পানি জমে সড়কটি মরণফাঁদে পরিণত হয়। অটোরিকশা, বাস ও ট্রাক প্রায়ই উল্টে গিয়ে ঘটছে দুর্ঘটনা, বিকল হচ্ছে যানবাহনের যন্ত্রাংশ।
সড়ক সংস্কারের নামে তৈরি হয়েছে নতুন অনিশ্চয়তা। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে প্রায় ৪৫ কোটি টাকা ব্যয়ে সড়কটি ১২ ফুট থেকে ১৪ ফুটে প্রশস্ত করার জন্য তিনটি প্যাকেজে দরপত্র আহ্বান করেছিল এলজিইডি। এর মধ্যে ১৬ কিলোমিটার অংশের কাজ পায় পিরোজপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন মহারাজের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান 'ইফতি-ইটিসিএল'। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর মহিউদ্দিন মহারাজ দেশ ছেড়ে পালালে ওই প্রতিষ্ঠানের সংস্কার কাজ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।
অন্য একটি প্যাকেজে জল্লা থেকে সাতলা পর্যন্ত আট কিলোমিটার সড়কের কাজ আমিন ইঞ্জিনিয়ারিং নামের একটি প্রতিষ্ঠান চালিয়ে গেলেও, বাকি অংশের কাজ আটকে থাকে। পরবর্তীতে মে মাসে বন্ধ থাকা অংশের ৮ কিলোমিটারের জন্য নতুন দরপত্র আহ্বান করা হলে ভৈরবের মেসার্স মোমিনুল হক নামের প্রতিষ্ঠান কার্যাদেশ পায়। কিন্তু এখনো একটি প্যাকেজের কাজ উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবে (ডিপিপি) অন্তর্ভুক্ত না হওয়ায় দরপত্র আহ্বানই করা সম্ভব হয়নি।
ভোগান্তির কথা জানিয়ে শোলক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সরদার আবদুল হালিম ও সুজন সাধারণ সম্পাদক মো. মাহফুজুর রহমান জানান, গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা হতাশাজনক। পর্যটন এলাকা এবং সাধারণ মানুষের যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম হওয়ায় অনতিবিলম্বে পুরো সড়কটির টেকসই সংস্কার কাজ শেষ করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।

0 Comments