
লিওনেল মেসিকে ফুটবল বিশ্ব সাধারণত একজন শান্ত ও সুবোধ চরিত্র হিসেবেই চেনে। মাঠের ভেতর প্রতিপক্ষের উস্কানিতেও তাঁকে সচরাচর মেজাজ হারাতে দেখা যায় না। বিতর্ক কিংবা শৃঙ্খলাভঙ্গের মতো ঘটনায় আটবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী এই তারকার নাম আসা এক প্রকার বিরল ঘটনা। তবে এবার সেই চেনা ছকের বাইরে গিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত এক বিতর্কে জড়িয়ে পড়লেন ইন্টার মিয়ামির আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। মাঠে প্রতিপক্ষ ফুটবলারের সঙ্গে হাতাহাতি ও ঘাড়ে আঘাত করার অপরাধে জরিমানার মুখে পড়েছেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়নের মুখোমুখি হয়েছিল ইন্টার মিয়ামি। রোমাঞ্চকর ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত ২-২ গোলে ড্র হলেও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসে ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তের একটি অনভিপ্রেত ঘটনা। ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ের ১১তম মিনিটে ফিলাডেলফিয়ার মিডফিল্ডার কুইন সুলিভানের সঙ্গে হঠাৎই উত্তপ্ত বাক্যবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন মেসি। তর্কাতর্কির একপর্যায়ে মেজাজ হারিয়ে সুলিভানের ঘাড়ের পেছনে আঘাত করে বসেন তিনি।
কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিষয়টিকে ‘চড় মারা’ হিসেবে আখ্যা দিলেও এমএলএস কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়ের মুখ, মাথা বা ঘাড়ে স্পর্শ সংক্রান্ত লিগের শৃঙ্খলারীতি ভঙ্গ করেছেন মিয়ামি তারকা। নিয়ম লঙ্ঘনের কারণে তাঁকে জরিমানা করা হলেও অংকের পরিমাণ প্রকাশ করেনি লিগ কর্তৃপক্ষ।
মাঠে দায়িত্বে থাকা রেফারি ফিলিপ দুজিচ তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাটি দেখতে পাননি। পরে তিনি এসে দুজনকে আলাদা করলেও কাউকেই হলুদ বা লাল কার্ড দেখাননি। তবে ম্যাচ শেষে ভিডিও ফুটেজ গভীরভাবে পর্যালোচনা করে মেসির বিরুদ্ধে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে এমএলএস কমিটি।
উল্লেখ্য, একই ম্যাচে একই ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির দায়ে মেসির সতীর্থ ইয়ান ফ্রে-কেও জরিমানা করা হয়েছে। পেনাল্টি বক্সে বল কাড়াকাড়ির একপর্যায়ে সুলিভানের ঘাড় চেপে ধরে বিবাদে জড়ান ফ্রে। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে উত্তেজনা চরমে পৌঁছালে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন ইন্টার মিয়ামির ইয়ানিক ব্রাইট ও ফিলাডেলফিয়ার কাভান সুলিভান। তবে পরবর্তীতে স্বাধীন পর্যালোচনা প্যানেলের সিদ্ধান্তে কাভানের লাল কার্ড ও এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা বাতিল ঘোষণা করা হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়নের মুখোমুখি হয়েছিল ইন্টার মিয়ামি। রোমাঞ্চকর ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত ২-২ গোলে ড্র হলেও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসে ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তের একটি অনভিপ্রেত ঘটনা। ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ের ১১তম মিনিটে ফিলাডেলফিয়ার মিডফিল্ডার কুইন সুলিভানের সঙ্গে হঠাৎই উত্তপ্ত বাক্যবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন মেসি। তর্কাতর্কির একপর্যায়ে মেজাজ হারিয়ে সুলিভানের ঘাড়ের পেছনে আঘাত করে বসেন তিনি।
কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিষয়টিকে ‘চড় মারা’ হিসেবে আখ্যা দিলেও এমএলএস কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়ের মুখ, মাথা বা ঘাড়ে স্পর্শ সংক্রান্ত লিগের শৃঙ্খলারীতি ভঙ্গ করেছেন মিয়ামি তারকা। নিয়ম লঙ্ঘনের কারণে তাঁকে জরিমানা করা হলেও অংকের পরিমাণ প্রকাশ করেনি লিগ কর্তৃপক্ষ।
মাঠে দায়িত্বে থাকা রেফারি ফিলিপ দুজিচ তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাটি দেখতে পাননি। পরে তিনি এসে দুজনকে আলাদা করলেও কাউকেই হলুদ বা লাল কার্ড দেখাননি। তবে ম্যাচ শেষে ভিডিও ফুটেজ গভীরভাবে পর্যালোচনা করে মেসির বিরুদ্ধে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে এমএলএস কমিটি।
উল্লেখ্য, একই ম্যাচে একই ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির দায়ে মেসির সতীর্থ ইয়ান ফ্রে-কেও জরিমানা করা হয়েছে। পেনাল্টি বক্সে বল কাড়াকাড়ির একপর্যায়ে সুলিভানের ঘাড় চেপে ধরে বিবাদে জড়ান ফ্রে। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে উত্তেজনা চরমে পৌঁছালে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন ইন্টার মিয়ামির ইয়ানিক ব্রাইট ও ফিলাডেলফিয়ার কাভান সুলিভান। তবে পরবর্তীতে স্বাধীন পর্যালোচনা প্যানেলের সিদ্ধান্তে কাভানের লাল কার্ড ও এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা বাতিল ঘোষণা করা হয়।

0 Comments