
লেবানন সরকার সিরিয়ার প্রাক্তন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা মেজর জেনারেল আদেল ইসাকে দামেস্কের নতুন কর্তৃপক্ষের হাতে হস্তান্তর করেছে। ২০২৪ সালে প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ সরকারের পতনের পর সিরিয়ার প্রাক্তন কোনো উচ্চপদস্থ সেন কর্মকর্তাকে হস্তান্তরের এটিই প্রথম ঘটনা। হত্যা, নির্যাতন ও গৃহযুদ্ধ উসকে দেওয়ার মতো একাধিক গুরুতর অভিযোগে অভিযুক্ত এই সেনা কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করে দামেস্কে পাঠানো হলো।
৬৭ বছর বয়সী আদেল ইসা সিরীয় সেনাবাহিনীর ১৭তম ডিভিশনের প্রবীণ অধিনায়ক ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় দেইর এজ-জোর প্রদেশের স্থলবাহিনীর নেতৃত্ব দেন। সিরিয়ার নতুন প্রশাসনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বুধবার এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে যে, লেবানন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে প্রাক্তন আসাদ শাসনামলের কর্মকর্তা মেজর জেনারেল আদেল ইসাকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। সিরিয়া সরকারের পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড, একাধিক ব্যক্তিকে নির্যাতন করে হত্যা এবং দেশে সামাজিক ও সাম্প্রদায়িক অস্থিরতা সৃষ্টি করার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল।
আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ৮ আগস্ট বৈরুতে অবস্থিত সিরীয় দূতাবাসে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংক্রান্ত কাজের জন্য গিয়েছিলেন আদেল ইসা। সেখানে তিনি সিরিয়ায় পরোয়ানাভুক্ত একজন অভিযুক্ত আসামি হিসেবে চিহ্নিত হন। দূতাবাস কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে লেবাননের কৌঁসুলি দপ্তরকে বিষয়টি অবহিত করলে লেবাননের নিরাপত্তা ও তদন্তকারীরা তাকে হেফাজতে নেন। যদিও নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আদেল ইসা। জানা গেছে, তাকে দামেস্কের রেফারেল বিচারকের সামনে হাজির করা হবে এবং পরবর্তীতে ফৌজদারি আদালতে তার বিচার প্রক্রিয়া শুরু হবে।
২০২৪ সালের ডিসেম্বরে বাশার আল-আসাদ সরকারের পতনের পর বিপুলসংখ্যক সেনা ও নিরাপত্তা কর্মকর্তা লেবাননে গিয়ে আত্মগোপন করেন। এর পর থেকেই লেবাননে আশ্রয় নেওয়া প্রাক্তন সরকারের কর্মকর্তা ও সেনাসদস্যদের ফেরত পাঠানোর জন্য বৈরুতের ওপর তীব্র রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক চাপ সৃষ্টি করে আসছিল দামেস্ক। বর্তমানে প্রাক্তন বিদ্রোহী নেতা প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা সিরিয়ার দায়িত্ব পালন করছেন। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসেই সিরীয় কর্তৃপক্ষ লেবাননের নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের কাছে ২০০ জনেরও বেশি ওয়ান্টেড প্রাক্তন কর্মকর্তার একটি তালিকা হস্তান্তর করেছিল। আদেল ইসার এই হস্তান্তর সেই ধারাবাহিক প্রক্রিয়ার একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
৬৭ বছর বয়সী আদেল ইসা সিরীয় সেনাবাহিনীর ১৭তম ডিভিশনের প্রবীণ অধিনায়ক ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় দেইর এজ-জোর প্রদেশের স্থলবাহিনীর নেতৃত্ব দেন। সিরিয়ার নতুন প্রশাসনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বুধবার এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে যে, লেবানন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে প্রাক্তন আসাদ শাসনামলের কর্মকর্তা মেজর জেনারেল আদেল ইসাকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। সিরিয়া সরকারের পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড, একাধিক ব্যক্তিকে নির্যাতন করে হত্যা এবং দেশে সামাজিক ও সাম্প্রদায়িক অস্থিরতা সৃষ্টি করার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল।
আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ৮ আগস্ট বৈরুতে অবস্থিত সিরীয় দূতাবাসে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংক্রান্ত কাজের জন্য গিয়েছিলেন আদেল ইসা। সেখানে তিনি সিরিয়ায় পরোয়ানাভুক্ত একজন অভিযুক্ত আসামি হিসেবে চিহ্নিত হন। দূতাবাস কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে লেবাননের কৌঁসুলি দপ্তরকে বিষয়টি অবহিত করলে লেবাননের নিরাপত্তা ও তদন্তকারীরা তাকে হেফাজতে নেন। যদিও নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আদেল ইসা। জানা গেছে, তাকে দামেস্কের রেফারেল বিচারকের সামনে হাজির করা হবে এবং পরবর্তীতে ফৌজদারি আদালতে তার বিচার প্রক্রিয়া শুরু হবে।
২০২৪ সালের ডিসেম্বরে বাশার আল-আসাদ সরকারের পতনের পর বিপুলসংখ্যক সেনা ও নিরাপত্তা কর্মকর্তা লেবাননে গিয়ে আত্মগোপন করেন। এর পর থেকেই লেবাননে আশ্রয় নেওয়া প্রাক্তন সরকারের কর্মকর্তা ও সেনাসদস্যদের ফেরত পাঠানোর জন্য বৈরুতের ওপর তীব্র রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক চাপ সৃষ্টি করে আসছিল দামেস্ক। বর্তমানে প্রাক্তন বিদ্রোহী নেতা প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা সিরিয়ার দায়িত্ব পালন করছেন। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসেই সিরীয় কর্তৃপক্ষ লেবাননের নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের কাছে ২০০ জনেরও বেশি ওয়ান্টেড প্রাক্তন কর্মকর্তার একটি তালিকা হস্তান্তর করেছিল। আদেল ইসার এই হস্তান্তর সেই ধারাবাহিক প্রক্রিয়ার একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

0 Comments