
আন্তর্জাতিক ত্রাণ সহায়তায় বড় ধরনের কাটছাঁটের ফলে পূর্ব আফ্রিকার দেশ সোমালিয়ায় শিশু খাদ্য সংকট ও অপুষ্টি মারাত্মক রূপ ধারণ করেছে। জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ (UNICEF) এক সতর্কবার্তায় জানিয়েছে, তহবিল সংকটের কারণে ২০০টিরও বেশি স্বাস্থ্য ও পুষ্টি কেন্দ্র বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশটিতে শিশুদের জীবন চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
ইউনিসেফের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে সোমালিয়ায় মারাত্মক তীব্র পুষ্টিহীনতা এবং বিভিন্ন শারীরিক জটিলতা নিয়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি হওয়া শিশুর সংখ্যা ৩২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। সংস্থাটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি বছরেই সোমালিয়ার প্রায় ১৯ লাখ শিশু চরম অপুষ্টির শিকার হতে পারে।
জেনেভায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ইউনিসেফের মুখপাত্র জেমস এল্ডার বলেন, "সোমালিয়ায় ত্রাণ ছাঁটাইয়ের কারণে স্বাস্থ্য সেবার দরজা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, পুষ্টি সেবা থমকে গেছে এবং মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে খাবার পানি, শিক্ষা ও সুরক্ষা।" তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, তহবিল সংকট অব্যাহত থাকলে দেশজুড়ে প্রায় ৬১৮টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যেতে পারে। বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতিতে সহায়তার হাত গুটিয়ে নেওয়া বড় ধরনের বিপর্যয় ডেকে আনবে।
সোমালিয়ায় চলমান তীব্র খরা এই সংকটকে আরও ঘনীভূত করেছে। খরার প্রভাবে গবাদিপশু মারা গেছে, ফসলি জমি নষ্ট হয়েছে এবং লাখ লাখ মানুষের জীবিকা ধ্বংস হয়ে গেছে। ত্রাণ সংস্থাগুলোর তথ্যমতে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিলের মধ্যে খরার কারণে নতুন করে প্রায় ৫ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। ফলে দেশটিতে অভ্যন্তরীণভাবে গৃহহীন হয়ে পড়া মোট মানুষের সংখ্যা ৩৩ লাখে পৌঁছেছে। বর্তমানে সোমালিয়ার ১ কোটি ৯০ লাখ জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশই মারাত্মক খাদ্য সংকটের মুখোমুখি।
মানবাধিকার সংগঠন 'ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস' (এমএসএফ) জানিয়েছে, দুর্নীতি ও ত্রাণ সামগ্রী অপব্যবহারের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্র এবং বেশ কয়েকটি পশ্চিমা দেশ সোমালিয়ায় তাদের অর্থায়ন মারাত্মকভাবে কমিয়ে দিয়েছে। এতে তীব্র অপুষ্টি মোকাবিলায় বরাদ্দের পরিমাণ ৮০ শতাংশের বেশি কমে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ২০০ কোটি ডলারের বৈশ্বিক মানবিক সহায়তার তালিকা থেকেও বাদ দেওয়া হয়েছে দেশটিকে। এর ওপর বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও সারের দাম বৃদ্ধি এবং 'এল নিনো' জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সৃষ্ট বন্যা এই মানবিক সংকটকে আরও ত্বরান্বিত করছে। ফলে পাঁচ বছরের কম বয়সী প্রায় ১০ লাখ শিশু এবং বিপুলসংখ্যক গর্ভবতী নারী ও কিশোরী জরুরি পুষ্টি সেবা হারানোর চরম ঝুঁকিতে রয়েছে।
ইউনিসেফের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে সোমালিয়ায় মারাত্মক তীব্র পুষ্টিহীনতা এবং বিভিন্ন শারীরিক জটিলতা নিয়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি হওয়া শিশুর সংখ্যা ৩২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। সংস্থাটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি বছরেই সোমালিয়ার প্রায় ১৯ লাখ শিশু চরম অপুষ্টির শিকার হতে পারে।
জেনেভায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ইউনিসেফের মুখপাত্র জেমস এল্ডার বলেন, "সোমালিয়ায় ত্রাণ ছাঁটাইয়ের কারণে স্বাস্থ্য সেবার দরজা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, পুষ্টি সেবা থমকে গেছে এবং মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে খাবার পানি, শিক্ষা ও সুরক্ষা।" তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, তহবিল সংকট অব্যাহত থাকলে দেশজুড়ে প্রায় ৬১৮টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যেতে পারে। বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতিতে সহায়তার হাত গুটিয়ে নেওয়া বড় ধরনের বিপর্যয় ডেকে আনবে।
সোমালিয়ায় চলমান তীব্র খরা এই সংকটকে আরও ঘনীভূত করেছে। খরার প্রভাবে গবাদিপশু মারা গেছে, ফসলি জমি নষ্ট হয়েছে এবং লাখ লাখ মানুষের জীবিকা ধ্বংস হয়ে গেছে। ত্রাণ সংস্থাগুলোর তথ্যমতে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিলের মধ্যে খরার কারণে নতুন করে প্রায় ৫ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। ফলে দেশটিতে অভ্যন্তরীণভাবে গৃহহীন হয়ে পড়া মোট মানুষের সংখ্যা ৩৩ লাখে পৌঁছেছে। বর্তমানে সোমালিয়ার ১ কোটি ৯০ লাখ জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশই মারাত্মক খাদ্য সংকটের মুখোমুখি।
মানবাধিকার সংগঠন 'ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস' (এমএসএফ) জানিয়েছে, দুর্নীতি ও ত্রাণ সামগ্রী অপব্যবহারের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্র এবং বেশ কয়েকটি পশ্চিমা দেশ সোমালিয়ায় তাদের অর্থায়ন মারাত্মকভাবে কমিয়ে দিয়েছে। এতে তীব্র অপুষ্টি মোকাবিলায় বরাদ্দের পরিমাণ ৮০ শতাংশের বেশি কমে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ২০০ কোটি ডলারের বৈশ্বিক মানবিক সহায়তার তালিকা থেকেও বাদ দেওয়া হয়েছে দেশটিকে। এর ওপর বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও সারের দাম বৃদ্ধি এবং 'এল নিনো' জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সৃষ্ট বন্যা এই মানবিক সংকটকে আরও ত্বরান্বিত করছে। ফলে পাঁচ বছরের কম বয়সী প্রায় ১০ লাখ শিশু এবং বিপুলসংখ্যক গর্ভবতী নারী ও কিশোরী জরুরি পুষ্টি সেবা হারানোর চরম ঝুঁকিতে রয়েছে।

0 Comments