
বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে 'নায়করাজ' রাজ্জাক এক চিরউজ্জ্বল নক্ষত্র। দেখতে দেখতে কিংবদন্তি এই অভিনেতার প্রয়াণের আটটি বছর কেটে গেল। আজ তাঁর নবম মৃত্যুবার্ষিকী। ২০১৭ সালের এই দিনে ঢাকাই সিনেমার অভিভাবকখ্যাত এই মহান শিল্পী শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। নবম প্রয়াণ দিবসে চলচ্চিত্র অঙ্গনের সহকর্মী থেকে শুরু করে অগণিত ভক্ত তাঁকে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করছেন। তবে ঢালিউড মেগাস্টার শাকিব খানের জন্য দিনটি কেবল স্মৃতিচারণের নয়, বরং নিজের আপন অভিভাবক হারানোর বেদনায় ভারাক্রান্ত হওয়ার।
নায়করাজ রাজ্জাকের প্রয়াণ দিবসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক অত্যন্ত আবেগপ্রবণ পোস্ট দিয়েছেন শাকিব খান। সেখানে তিনি রাজ্জাককে নিজের মাথার ওপরের ছায়া ও অভিভাবক হিসেবে বর্ণনা করেছেন। শাকিব লিখেছেন, “তাঁকে হারানোর বেদনা আমার কাছে নিজের অভিভাবক হারানোর মতো, খুবই ব্যক্তিগত।”
কিংবদন্তি এই অভিনেতার সঙ্গে নিজের পারস্পরিক সখ্য ও স্নেহের স্মৃতি উসকে দিয়ে শাকিব আরও লেখেন, “বিশেষ করে তিনি ছিলেন আমার মাথার ওপর ছায়ার মতো। স্নেহ দিয়েছেন, আগলে রেখেছেন, কাজের প্রয়োজনে সঠিক পরামর্শ দিয়েছেন। অনেক দিন দেখা না হলেও কীভাবে যেন বুঝে যেতেন, আমি কেমন আছি, কিসের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি! তাঁকে হারানোর শূন্যতা আজও অনুভব করি।”
বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে নায়করাজ রাজ্জাকের অবদান অপরিসীম। ষাট থেকে আশি—টানা কয়েক দশক নিজের অনবদ্য অভিনয় দিয়ে তিনি ঢালিউডকে সমৃদ্ধ করেছেন। শাকিব খানের মতে, রাজ্জাক কেবল একজন সফল অভিনেতাই নন, বরং পুরো ইন্ডাস্ট্রির অভিভাবক এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এক অনন্ত প্রেরণার নাম।
শাকিব তাঁর পোস্টে আরও যুক্ত করেন, “তিনি আজ শারীরিকভাবে আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু তাঁর স্নেহ, শিক্ষা ও আশীর্বাদ এখনো আমার পথচলার মূল অনুপ্রেরণা। বাংলাদেশের চলচ্চিত্র যত দিন থাকবে, নায়করাজ তত দিন থাকবেন আমাদের হৃদয়ে, আমাদের অহংকার হয়ে।”
শ্রদ্ধাঞ্জলির শেষে ঢালিউডের এই প্রবীণ তারকার আত্মার শান্তি কামনা করে শাকিব খান লেখেন, “শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করি আপনাকে। শান্তিতে থাকুন, আমাদের প্রিয় নায়করাজ।” সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শাকিব খানের এই বার্তাটি নজর কেড়েছে নেটিজেনদের, যেখানে অসংখ্য ভক্তও তাঁদের প্রিয় নায়করাজের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন।
নায়করাজ রাজ্জাকের প্রয়াণ দিবসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক অত্যন্ত আবেগপ্রবণ পোস্ট দিয়েছেন শাকিব খান। সেখানে তিনি রাজ্জাককে নিজের মাথার ওপরের ছায়া ও অভিভাবক হিসেবে বর্ণনা করেছেন। শাকিব লিখেছেন, “তাঁকে হারানোর বেদনা আমার কাছে নিজের অভিভাবক হারানোর মতো, খুবই ব্যক্তিগত।”
কিংবদন্তি এই অভিনেতার সঙ্গে নিজের পারস্পরিক সখ্য ও স্নেহের স্মৃতি উসকে দিয়ে শাকিব আরও লেখেন, “বিশেষ করে তিনি ছিলেন আমার মাথার ওপর ছায়ার মতো। স্নেহ দিয়েছেন, আগলে রেখেছেন, কাজের প্রয়োজনে সঠিক পরামর্শ দিয়েছেন। অনেক দিন দেখা না হলেও কীভাবে যেন বুঝে যেতেন, আমি কেমন আছি, কিসের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি! তাঁকে হারানোর শূন্যতা আজও অনুভব করি।”
বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে নায়করাজ রাজ্জাকের অবদান অপরিসীম। ষাট থেকে আশি—টানা কয়েক দশক নিজের অনবদ্য অভিনয় দিয়ে তিনি ঢালিউডকে সমৃদ্ধ করেছেন। শাকিব খানের মতে, রাজ্জাক কেবল একজন সফল অভিনেতাই নন, বরং পুরো ইন্ডাস্ট্রির অভিভাবক এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এক অনন্ত প্রেরণার নাম।
শাকিব তাঁর পোস্টে আরও যুক্ত করেন, “তিনি আজ শারীরিকভাবে আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু তাঁর স্নেহ, শিক্ষা ও আশীর্বাদ এখনো আমার পথচলার মূল অনুপ্রেরণা। বাংলাদেশের চলচ্চিত্র যত দিন থাকবে, নায়করাজ তত দিন থাকবেন আমাদের হৃদয়ে, আমাদের অহংকার হয়ে।”
শ্রদ্ধাঞ্জলির শেষে ঢালিউডের এই প্রবীণ তারকার আত্মার শান্তি কামনা করে শাকিব খান লেখেন, “শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করি আপনাকে। শান্তিতে থাকুন, আমাদের প্রিয় নায়করাজ।” সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শাকিব খানের এই বার্তাটি নজর কেড়েছে নেটিজেনদের, যেখানে অসংখ্য ভক্তও তাঁদের প্রিয় নায়করাজের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন।

0 Comments