
ইতিহাদ স্টেডিয়ামে তখন শ্বাসরুদ্ধকর নীরবতা। ভিএআরের স্ক্রিনের দিকে একদৃষ্টে তাকিয়ে মাঠের ফুটবলার থেকে শুরু করে গ্যালারির হাজারো সমর্থক। একদিকে হাত তুলে উল্লাসের অপেক্ষায় ইওস্কো গাভার্দিওল, অন্যদিকে উৎকণ্ঠায় বোর্নমাউথের ফুটবলাররা। রেফারির কানে অদৃশ্য বার্তা পৌঁছানোর পর ভেসে এল কাঙ্ক্ষিত সংকেত— 'গোল!' সহকারী রেফারির তোলা অফসাইডের পতাকাকে ভুল প্রমাণিত করে ভিএআরের পর্দায় গোল নিশ্চিত হতেই উল্লাসে ফেটে পড়ল পুরো ইতিহাদ। ইনজুরি টাইমের (৯০+২ মিনিট) এই মহানাটকীয় মুহূর্তেই লেখা হয়ে গেল ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ম্যানচেস্টার সিটির প্রথম রোমাঞ্চকর জয়ের গল্প। বোর্নমাউথকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে সিটি বস হিসেবে এনজো মারেসকার প্রিমিয়ার লিগ অভিযান শুরু হলো দুর্দান্ত এক জয় দিয়ে।
অথচ ঘরের মাঠে ম্যাচের সূচনাটা সিটির জন্য একেবারেই সুসংবাদ বয়ে আনেনি। ম্যাচের ২৬তম মিনিটে রক্ষণভাগের একটি সহজ লং বল সামলাতে না পারার চড়া মাশুল গুনতে হয় স্বাগতিকদের। ডান দিক দিয়ে রায়ান বল বাড়ান এভানিলসনের উদ্দেশ্যে, আর তিনি দুর্দান্ত পাসে তা বাড়ান মার্কাস ট্যাভার্নিয়েরকে। পেছনের পোস্টে ফাঁকায় থাকা ট্যাভার্নিয়ের সহজ ট্যাপ-ইনে বল জালে জড়িয়ে স্তব্ধ করে দেন পুরো ইতিহাদ স্টেডিয়ামকে। পিছিয়ে পড়ে সমতায় ফিরতে আক্রমণের ধার বাড়ায় ম্যান সিটি। তবে প্রথমার্ধে এরলিং হালান্ডের একাধিক সুযোগ হাতছাড়া সমর্থকদের হতাশ করে। অন্যদিকে ৪১তম মিনিটে বোর্নমাউথের জাস্টিন ক্লুইভার্টের শট গোলরক্ষক দোন্নারুম্মা দারুণভাবে না ঠেকালে বিরতির আগেই ব্যবধান দ্বিগুণ হতে পারত। ফলে ১-০ গোলে পিছিয়ে থেকেই প্রথমার্ধ শেষ করে মারেসকার দল।
দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন বদলি হিসেবে মাঠে নামা রায়ান শেরকি। ৮৪তম মিনিটে শেরকির নেওয়া নিখুঁত কর্নার থেকে জোরালো হেডে সিটিকে ১-১ ব্যবধানে সমতায় ফেরান মার্ক গেহি। এর পর ম্যাচের আসল রোমাঞ্চ জমা ছিল ৯০+২ মিনিটের জন্য। আবারও শেরকির মাপা পাস থেকে দারুণ ফিনিশিংয়ে বল জালে পাঠান গাভার্দিওল। প্রাথমিক দিকে লাইন্সম্যান অফসাইডের পতাকা তুলে উল্লাসে বাধা দিলেও, ভিএআর শেষ পর্যন্ত গোলের সিদ্ধান্ত দিলে জয় নিশ্চিত হয় ম্যানচেস্টার সিটির। শেষ মুহূর্তের এই রোমাঞ্চকর জয়ে পূর্ণ ৩ পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।
অথচ ঘরের মাঠে ম্যাচের সূচনাটা সিটির জন্য একেবারেই সুসংবাদ বয়ে আনেনি। ম্যাচের ২৬তম মিনিটে রক্ষণভাগের একটি সহজ লং বল সামলাতে না পারার চড়া মাশুল গুনতে হয় স্বাগতিকদের। ডান দিক দিয়ে রায়ান বল বাড়ান এভানিলসনের উদ্দেশ্যে, আর তিনি দুর্দান্ত পাসে তা বাড়ান মার্কাস ট্যাভার্নিয়েরকে। পেছনের পোস্টে ফাঁকায় থাকা ট্যাভার্নিয়ের সহজ ট্যাপ-ইনে বল জালে জড়িয়ে স্তব্ধ করে দেন পুরো ইতিহাদ স্টেডিয়ামকে। পিছিয়ে পড়ে সমতায় ফিরতে আক্রমণের ধার বাড়ায় ম্যান সিটি। তবে প্রথমার্ধে এরলিং হালান্ডের একাধিক সুযোগ হাতছাড়া সমর্থকদের হতাশ করে। অন্যদিকে ৪১তম মিনিটে বোর্নমাউথের জাস্টিন ক্লুইভার্টের শট গোলরক্ষক দোন্নারুম্মা দারুণভাবে না ঠেকালে বিরতির আগেই ব্যবধান দ্বিগুণ হতে পারত। ফলে ১-০ গোলে পিছিয়ে থেকেই প্রথমার্ধ শেষ করে মারেসকার দল।
দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন বদলি হিসেবে মাঠে নামা রায়ান শেরকি। ৮৪তম মিনিটে শেরকির নেওয়া নিখুঁত কর্নার থেকে জোরালো হেডে সিটিকে ১-১ ব্যবধানে সমতায় ফেরান মার্ক গেহি। এর পর ম্যাচের আসল রোমাঞ্চ জমা ছিল ৯০+২ মিনিটের জন্য। আবারও শেরকির মাপা পাস থেকে দারুণ ফিনিশিংয়ে বল জালে পাঠান গাভার্দিওল। প্রাথমিক দিকে লাইন্সম্যান অফসাইডের পতাকা তুলে উল্লাসে বাধা দিলেও, ভিএআর শেষ পর্যন্ত গোলের সিদ্ধান্ত দিলে জয় নিশ্চিত হয় ম্যানচেস্টার সিটির। শেষ মুহূর্তের এই রোমাঞ্চকর জয়ে পূর্ণ ৩ পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

0 Comments