
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে ডিলারের (পরিবেশক) গুদাম থেকে কৃষকদের সার নিয়ে যাওয়ার ঘটনার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন কৃষি ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা। আজ রোববার বিকেলে তাঁরা উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নে ওই ডিলারের গুদামে যান। ওই ঘটনায় রাত আটটা পর্যন্ত ১০০ বস্তা সার (প্রতি বস্তায় ৫০ কেজি) উদ্ধার করা হয়েছে।
এদিকে আজ বিকেলে কৃষক ছাড়া অন্য ব্যক্তির কাছে সার বিক্রির কারণে উপজেলার আরেক ডিলারকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
আজ বিকেলে উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের শাহ আমানত ট্রেডার্সের ডিলার পয়েন্ট পরিদর্শন করেন কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আবদুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমৃত দেবনাথ ও সহকারী পুলিশ সুপার (ভূরুঙ্গামারী সার্কেল) মুনতাসির মামুন মুন।
এর আগে সকালে সার না পাওয়ার অভিযোগে একদল কৃষক ওই ডিলারের গুদামে ঢুকে সার নিয়ে যান। কৃষি বিভাগের হিসাবে, গুদামে থাকা ৩৪২ বস্তা সারের মধ্যে ২০২ বস্তা ইউরিয়া ও ২৩ বস্তা পটাশ লুট হয়েছে।
ঘটনার পর গুদামে স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মী ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নিয়ে জরুরি সভা হয়। সার উদ্ধারে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতা চাওয়া হলে তাঁরা সহযোগিতার আশ্বাস দেন। রাত আটটা পর্যন্ত ১০০ বস্তা সার উদ্ধার করা হয়। অন্য সারের বস্তা উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত আছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আবদুল্লাহ আল মামুন প্রথম আলোকে বলেন, ‘কৃষকদের চাহিদা অনুযায়ী সার সরবরাহের ব্যবস্থা করা হবে। প্রয়োজনে পাশের ইউনিয়ন থেকে সার এনে দেওয়া হবে। তবে এভাবে মব তৈরি করে ডিলারের গুদাম থেকে সার নিয়ে যাওয়া কাম্য নয়।’
পরে প্রশাসনের কর্মকর্তারা পাগলারহাট বাজারের একটি বিএডিসি ডিলার পয়েন্ট পরিদর্শন করেন। সেখানে কৃষক ছাড়া অন্য ব্যক্তির কাছে সার বিক্রির অভিযোগে ডিলার নুর আলমকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। ইউএনও অমৃত দেবনাথ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।
শিলখুড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘কতিপয় ব্যক্তি মব তৈরি করে গুদাম ভেঙে সার নিয়ে গেছেন। আমরা প্রশাসনের সঙ্গে থেকে লুট হওয়া সার উদ্ধারে সহযোগিতা করছি। উদ্ধার করা সার কৃষকদের মধ্যে চাহিদা অনুযায়ী বিতরণ করা হবে।’
ইউএনও অমৃত দেবনাথ প্রথম আলোকে বলেন, ডিলারের গুদাম ভেঙে সার লুটের ঘটনায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। ইতিমধ্যে পুলিশ প্রশাসন ও স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীদের সহায়তায় অনেকগুলো সারের বস্তা উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। সার উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
এদিকে আজ বিকেলে কৃষক ছাড়া অন্য ব্যক্তির কাছে সার বিক্রির কারণে উপজেলার আরেক ডিলারকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
আজ বিকেলে উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের শাহ আমানত ট্রেডার্সের ডিলার পয়েন্ট পরিদর্শন করেন কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আবদুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমৃত দেবনাথ ও সহকারী পুলিশ সুপার (ভূরুঙ্গামারী সার্কেল) মুনতাসির মামুন মুন।
এর আগে সকালে সার না পাওয়ার অভিযোগে একদল কৃষক ওই ডিলারের গুদামে ঢুকে সার নিয়ে যান। কৃষি বিভাগের হিসাবে, গুদামে থাকা ৩৪২ বস্তা সারের মধ্যে ২০২ বস্তা ইউরিয়া ও ২৩ বস্তা পটাশ লুট হয়েছে।
ঘটনার পর গুদামে স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মী ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নিয়ে জরুরি সভা হয়। সার উদ্ধারে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতা চাওয়া হলে তাঁরা সহযোগিতার আশ্বাস দেন। রাত আটটা পর্যন্ত ১০০ বস্তা সার উদ্ধার করা হয়। অন্য সারের বস্তা উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত আছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আবদুল্লাহ আল মামুন প্রথম আলোকে বলেন, ‘কৃষকদের চাহিদা অনুযায়ী সার সরবরাহের ব্যবস্থা করা হবে। প্রয়োজনে পাশের ইউনিয়ন থেকে সার এনে দেওয়া হবে। তবে এভাবে মব তৈরি করে ডিলারের গুদাম থেকে সার নিয়ে যাওয়া কাম্য নয়।’
পরে প্রশাসনের কর্মকর্তারা পাগলারহাট বাজারের একটি বিএডিসি ডিলার পয়েন্ট পরিদর্শন করেন। সেখানে কৃষক ছাড়া অন্য ব্যক্তির কাছে সার বিক্রির অভিযোগে ডিলার নুর আলমকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। ইউএনও অমৃত দেবনাথ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।
শিলখুড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘কতিপয় ব্যক্তি মব তৈরি করে গুদাম ভেঙে সার নিয়ে গেছেন। আমরা প্রশাসনের সঙ্গে থেকে লুট হওয়া সার উদ্ধারে সহযোগিতা করছি। উদ্ধার করা সার কৃষকদের মধ্যে চাহিদা অনুযায়ী বিতরণ করা হবে।’
ইউএনও অমৃত দেবনাথ প্রথম আলোকে বলেন, ডিলারের গুদাম ভেঙে সার লুটের ঘটনায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। ইতিমধ্যে পুলিশ প্রশাসন ও স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীদের সহায়তায় অনেকগুলো সারের বস্তা উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। সার উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

0 Comments