
ভ্যাপসা গরমের এক আলসে দুপুরে বনে বিশ্রাম নিতে গিয়ে অপ্রত্যাশিত এক ঘটনার মুখোমুখি হলো চার তরুণ বন্ধু ও তাদের পোষা পাহারাদার কুকুর ‘কুটুস’। নিজেদের উপস্থিত বুদ্ধি ও অসাধারণ সাহসিকতা কাজে লাগিয়ে তারা ডাকাত বা চোর চক্রের দুই দুষ্কৃতীকে হাতেনাতে আটকে রেখে পুলিশের হাতে তুলে দিতে সক্ষম হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে বনের গভীরে এক প্রবহমান ঝিরির পাশের নির্জন ছায়ায়।
জানা গেছে, দীপ্র চৌধুরী, আদনান রেজা, পাভেল রোজারিও এবং মুকিত ইকবাল—এই চার বন্ধু অসহ্য গরম থেকে বাঁচতে বনের ভেতর একটি বিশাল গাছের নিচে আশ্রয়ের খোঁজে যায়। তাদের সঙ্গী ছিল পাভেলের পোষা গোল্ডেন স্প্যানিয়েল প্রজাতির কুকুর ‘কুটুস’। অতিরিক্ত গরমে চঞ্চল কুকুরটি একপর্যায়ে বনে খরগোশের খোঁজে চলে গেলে চার বন্ধু গাছের ছায়ায় ঘুমিয়ে পড়ে। ঠিক তখনই একটি সাইডকারসহ মোটরবাইক নিয়ে দুই অজ্ঞাতপরিচয় লোক সেখানে উপস্থিত হয়।
বাইকের হালকা শব্দে আদনানের ঘুম ভেঙে গেলে সে উঁকি দিয়ে দেখতে পায়, সন্দেহভাজন লোক দুটি একটি রহস্যময় মেইলব্যাগ নিয়ে নিজেদের মধ্যে তর্কাতর্কি করছে। তাদের কথাবার্তা থেকে বোঝা যায়, ট্রাফিক সিগন্যাল ভেঙে তারা পুলিশের তাড়া খেয়ে পালিয়ে এসেছে। অপরাধের প্রমাণ লোপাট করতে তারা ব্যাগটি সেই গাছের একটি ফাঁপা অংশে লুকিয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয়।
পরিস্থিতির গুরুত্ব অনুধাবন করে আদনান তৎক্ষণাৎ বন্ধুদের জাগিয়ে তোলে। তারা গোপনে নজর রাখতে শুরু করে। দুষ্কৃতীরা যখন গাছে উঠে ব্যাগটি লুকানোর চেষ্টা করছিল, ঠিক তখনই ঘটনাস্থলে ফেরত আসে কুকুর ‘কুটুস’। পাভেলের নির্দেশে কুকুরটি গাছের নিচে দাঁড়িয়ে বিকট গর্জন শুরু করে পাহারায় বসে যায়। ফলে ভয়ে গাছের ওপর থেকে নামার সাহস হারিয়ে ফেলে দুষ্কৃতীরা।
কিশোরদের অদম্য সাহস আর কুকুরের তীব্র গর্জনে দুষ্কৃতীরা কার্যত বন্দি হয়ে পড়ে। ঠিক সেই মুহূর্তে অপরাধীদের ধাওয়া করতে থাকা পুলিশের টহল দল ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছায়। চার বন্ধু দ্রুত পুলিশকে পুরো বিষয়টি অবগত করে এবং গাছের ওপরে আটকে থাকা অপরাধী ও লুকিয়ে রাখা ব্যাগটি দেখিয়ে দেয়। পুলিশ সদস্যরা দ্রুত অভিযুক্তদের আটক করে চুরি হওয়া মেইলব্যাগটি উদ্ধার করেন। চার বন্ধুর অসাধারণ বুদ্ধিমত্তা ও তাদের চটপটে পোষা কুকুরের এমন বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেছে পুলিশ।
জানা গেছে, দীপ্র চৌধুরী, আদনান রেজা, পাভেল রোজারিও এবং মুকিত ইকবাল—এই চার বন্ধু অসহ্য গরম থেকে বাঁচতে বনের ভেতর একটি বিশাল গাছের নিচে আশ্রয়ের খোঁজে যায়। তাদের সঙ্গী ছিল পাভেলের পোষা গোল্ডেন স্প্যানিয়েল প্রজাতির কুকুর ‘কুটুস’। অতিরিক্ত গরমে চঞ্চল কুকুরটি একপর্যায়ে বনে খরগোশের খোঁজে চলে গেলে চার বন্ধু গাছের ছায়ায় ঘুমিয়ে পড়ে। ঠিক তখনই একটি সাইডকারসহ মোটরবাইক নিয়ে দুই অজ্ঞাতপরিচয় লোক সেখানে উপস্থিত হয়।
বাইকের হালকা শব্দে আদনানের ঘুম ভেঙে গেলে সে উঁকি দিয়ে দেখতে পায়, সন্দেহভাজন লোক দুটি একটি রহস্যময় মেইলব্যাগ নিয়ে নিজেদের মধ্যে তর্কাতর্কি করছে। তাদের কথাবার্তা থেকে বোঝা যায়, ট্রাফিক সিগন্যাল ভেঙে তারা পুলিশের তাড়া খেয়ে পালিয়ে এসেছে। অপরাধের প্রমাণ লোপাট করতে তারা ব্যাগটি সেই গাছের একটি ফাঁপা অংশে লুকিয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয়।
পরিস্থিতির গুরুত্ব অনুধাবন করে আদনান তৎক্ষণাৎ বন্ধুদের জাগিয়ে তোলে। তারা গোপনে নজর রাখতে শুরু করে। দুষ্কৃতীরা যখন গাছে উঠে ব্যাগটি লুকানোর চেষ্টা করছিল, ঠিক তখনই ঘটনাস্থলে ফেরত আসে কুকুর ‘কুটুস’। পাভেলের নির্দেশে কুকুরটি গাছের নিচে দাঁড়িয়ে বিকট গর্জন শুরু করে পাহারায় বসে যায়। ফলে ভয়ে গাছের ওপর থেকে নামার সাহস হারিয়ে ফেলে দুষ্কৃতীরা।
কিশোরদের অদম্য সাহস আর কুকুরের তীব্র গর্জনে দুষ্কৃতীরা কার্যত বন্দি হয়ে পড়ে। ঠিক সেই মুহূর্তে অপরাধীদের ধাওয়া করতে থাকা পুলিশের টহল দল ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছায়। চার বন্ধু দ্রুত পুলিশকে পুরো বিষয়টি অবগত করে এবং গাছের ওপরে আটকে থাকা অপরাধী ও লুকিয়ে রাখা ব্যাগটি দেখিয়ে দেয়। পুলিশ সদস্যরা দ্রুত অভিযুক্তদের আটক করে চুরি হওয়া মেইলব্যাগটি উদ্ধার করেন। চার বন্ধুর অসাধারণ বুদ্ধিমত্তা ও তাদের চটপটে পোষা কুকুরের এমন বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেছে পুলিশ।

0 Comments