
পেশাগত জীবনের একঘেয়েমি ভেঙে নিজের স্বপ্ন আর ভালোলাগাকে ব্যবসায় রূপ দেওয়ার সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ফোয়ারা ফেরদৌস। বারবার পেশা বদলের পর যখন বুঝতে পারলেন নিজের ভেতরের সৃজনশীলতাকে মুক্ত আকাশে ডানা মেলতে দেওয়া প্রয়োজন, তখনই জন্ম নেয় ‘পটের বিবি’। ২০১৫ সালের মে মাসে অনলাইনভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে যাত্রা শুরু করা এই উদ্যোগটি আজ দেশীয় ফ্যাশন জগতে এক অনন্য ও পরিচিত নাম।
শুরুর গল্পটা ছিল খুবই সাধারণ। ফোয়ারা প্রথম দিকে টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী শাড়ি এনে অনলাইনে ক্রেতাদের সামনে তুলে ধরতেন। তবে মাত্র ছয় মাসের মধ্যেই ক্রেতাদের অপ্রত্যাশিত ও ইতিবাচক সাড়া তাঁর ভাবনার মোড় ঘুরিয়ে দেয়। তিনি অনুধাবন করেন, নিজস্ব রুচি ও নকশাকে প্রাধান্য দিয়ে কাজ করার এখনই উপযুক্ত সময়। এরপর শাড়িতে যোগ হয় নিজের পছন্দমতো রঙের খেলা, মনকাড়া ব্লক প্রিন্ট এবং দুই বছর পর আধুনিক স্ক্রিনপ্রিন্ট। ২০১৯ সাল পর্যন্ত মূলত অনলাইনের ক্যানভাস এবং নানা মেলাতেই ঘুরে বেড়িয়েছে পটের বিবির এই নান্দনিক যাত্রা।
তবে কেবল স্ক্রিনের আড়ালে থেকে কাজ করে তৃপ্ত হতে পারছিলেন না ফোয়ারা। তিনি চাইলেন ক্রেতাদের সঙ্গে সরাসরি মেলবন্ধন তৈরি করতে, প্রতিটি শাড়ির পেছনের গল্প ও আবেগগুলো তাদের সাথে ভাগ করে নিতে। সেই তাগিদ থেকেই ২০১৯ সালের ২ আগস্ট রাজধানীর লালমাটিয়ার সি ব্লকে গড়ে তোলা হয় পটের বিবির নিজস্ব স্টুডিও বা দোকান। যদিও বৈশ্বিক মহামারি করোনার ধাক্কায় প্রায় সাত-আট মাস দোকানটি বন্ধ রাখতে হয়েছিল, তবুও সংকট কাটিয়ে উঠে নতুন উদ্যমে আবার পথচলা শুরু হয়।
পটের বিবির প্রতিষ্ঠাতা ফোয়ারা ফেরদৌসের মতে, এই আউটলেটটি কেবল কেনাকাটার স্থান নয়; বরং এটি একটি আড্ডাঘর ও আন্তঃসম্পর্কের সেতু। এখানে ক্রেতারা আসেন, শাড়ি নিয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা ও ভাবনা শেয়ার করেন এবং এর মাধ্যমে এক ধরনের আন্তরিক মেলবন্ধন তৈরি হয়।
বর্তমানে পটের বিবির পরিসর শাড়ির গণ্ডি পেরিয়ে আরও অনেক দূর বিস্তৃত হয়েছে। শাড়ির পাশাপাশি এখন এখানে মিলছে নান্দনিক স্কার্ফ, ব্যাগ, শিশুদের পোশাক এবং আকর্ষণীয় নোটবুক। শুধু দেশেই নয়, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও পটের বিবির পণ্যের সমাদর বাড়ছে এবং বিদেশ থেকেও নিয়মিত অর্ডার আসছে। তবে ব্যবসার অন্ধ প্রসারের চেয়ে পণ্যের মান ও মৌলিকতা ধরে রাখাকেই প্রাধান্য দিচ্ছেন ফোয়ারা। বর্তমানে স্টুডিও পরিচালনা থেকে শুরু করে দক্ষ কারিগর মিলিয়ে ১৫ জন সদস্যের একটি সুসংগঠিত পরিবার নিবেদিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে পটের বিবির পেছনে।
শুরুর গল্পটা ছিল খুবই সাধারণ। ফোয়ারা প্রথম দিকে টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী শাড়ি এনে অনলাইনে ক্রেতাদের সামনে তুলে ধরতেন। তবে মাত্র ছয় মাসের মধ্যেই ক্রেতাদের অপ্রত্যাশিত ও ইতিবাচক সাড়া তাঁর ভাবনার মোড় ঘুরিয়ে দেয়। তিনি অনুধাবন করেন, নিজস্ব রুচি ও নকশাকে প্রাধান্য দিয়ে কাজ করার এখনই উপযুক্ত সময়। এরপর শাড়িতে যোগ হয় নিজের পছন্দমতো রঙের খেলা, মনকাড়া ব্লক প্রিন্ট এবং দুই বছর পর আধুনিক স্ক্রিনপ্রিন্ট। ২০১৯ সাল পর্যন্ত মূলত অনলাইনের ক্যানভাস এবং নানা মেলাতেই ঘুরে বেড়িয়েছে পটের বিবির এই নান্দনিক যাত্রা।
তবে কেবল স্ক্রিনের আড়ালে থেকে কাজ করে তৃপ্ত হতে পারছিলেন না ফোয়ারা। তিনি চাইলেন ক্রেতাদের সঙ্গে সরাসরি মেলবন্ধন তৈরি করতে, প্রতিটি শাড়ির পেছনের গল্প ও আবেগগুলো তাদের সাথে ভাগ করে নিতে। সেই তাগিদ থেকেই ২০১৯ সালের ২ আগস্ট রাজধানীর লালমাটিয়ার সি ব্লকে গড়ে তোলা হয় পটের বিবির নিজস্ব স্টুডিও বা দোকান। যদিও বৈশ্বিক মহামারি করোনার ধাক্কায় প্রায় সাত-আট মাস দোকানটি বন্ধ রাখতে হয়েছিল, তবুও সংকট কাটিয়ে উঠে নতুন উদ্যমে আবার পথচলা শুরু হয়।
পটের বিবির প্রতিষ্ঠাতা ফোয়ারা ফেরদৌসের মতে, এই আউটলেটটি কেবল কেনাকাটার স্থান নয়; বরং এটি একটি আড্ডাঘর ও আন্তঃসম্পর্কের সেতু। এখানে ক্রেতারা আসেন, শাড়ি নিয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা ও ভাবনা শেয়ার করেন এবং এর মাধ্যমে এক ধরনের আন্তরিক মেলবন্ধন তৈরি হয়।
বর্তমানে পটের বিবির পরিসর শাড়ির গণ্ডি পেরিয়ে আরও অনেক দূর বিস্তৃত হয়েছে। শাড়ির পাশাপাশি এখন এখানে মিলছে নান্দনিক স্কার্ফ, ব্যাগ, শিশুদের পোশাক এবং আকর্ষণীয় নোটবুক। শুধু দেশেই নয়, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও পটের বিবির পণ্যের সমাদর বাড়ছে এবং বিদেশ থেকেও নিয়মিত অর্ডার আসছে। তবে ব্যবসার অন্ধ প্রসারের চেয়ে পণ্যের মান ও মৌলিকতা ধরে রাখাকেই প্রাধান্য দিচ্ছেন ফোয়ারা। বর্তমানে স্টুডিও পরিচালনা থেকে শুরু করে দক্ষ কারিগর মিলিয়ে ১৫ জন সদস্যের একটি সুসংগঠিত পরিবার নিবেদিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে পটের বিবির পেছনে।

0 Comments