
পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের প্রস্তাবিত প্রীতি ম্যাচটি আয়োজনের গুঞ্জন শুরু থেকেই ক্রীড়াঙ্গনে তুমুল আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে ফুটবলপ্রেমীদের সেই উন্মাদনায় বড় ধরনের ধাক্কা দিল যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতা ও জ্বালানিসংকটের কারণে এই প্রদর্শনমূলক প্রীতি ম্যাচের জন্য কোনো সরকারি অর্থ ব্যয় করা সম্ভব নয় বলে পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
মঙ্গলবার সাংবাদিকদের প্রতিমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দেন, স্রেফ একটা প্রদর্শনী ম্যাচের জন্য সরকারের বিপুল পরিমাণ অর্থ অপচয় করার মানসিকতা নেই। তিনি বাফুফেকে স্পষ্ট বার্তা দিয়ে বলেন, "আমার সঙ্গে বাফুফে সভাপতির কথা হয়েছে। আমি জানিয়ে দিয়েছি, সরকারের পক্ষে এই টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তবে বাফুফে যদি নিজস্ব উদ্যোগে বেসরকারি স্পনসর এনে ম্যাচটি আয়োজন করতে পারে, তবে সরকারের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।"
ঢাকায় হাই-প্রোফাইল ম্যাচ আয়োজনের বিশাল খরচের অভিজ্ঞতা বাফুফের নতুন নয়। এর আগে ২০১১ সালে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা ও নাইজেরিয়ার ম্যাচটি আয়োজন করতে বাফুফের প্রায় ৩.৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (তৎকালীন হিসেবে যা প্রায় ২৭ কোটি টাকা) খরচ হয়েছিল। সেবার করপোরেট স্পনসরশিপ, ব্যাংকঋণ এবং চড়া মূল্যের টিকিট বিক্রি করে ব্যয় মেটানো হয়েছিল। বর্তমান ডলার মূল্যের বিচারে এবার ব্রাজিলের মতো দলকে আনব নিশ্চিতভাবেই সেই খরচ আরও বহুগুণ বেড়ে যাবে।
ব্রাজিল দলের আগমন দেশের ফুটবলের কোনো মৌলিক পরিবর্তন আনবে না বলেও মনে করেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, "ব্রাজিলের মতো দল এলে দর্শকেরা হয়তো একটু আনন্দিত হবেন, কিন্তু তাদের সঙ্গে একটা ম্যাচ খেললেই যে বাংলাদেশের ফুটবলের মান রাতারাতি বদলে যাবে, এই ভাবনার সঙ্গে আমি একমত নই।"
শুধু অর্থনৈতিক সংকটই নয়, ম্যাচটির সামনে বড় প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়েছে আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থা ফিফার কঠোর নিয়ম। সেপ্টেম্বরের ফিফা উইন্ডোতে একটি দেশ সর্বোচ্চ ৪টি ‘টায়ার-১’ ম্যাচ খেলতে পারে। বাংলাদেশ ইতিমধ্যেই আসিয়ান কাপের ৪টি ম্যাচ চূড়ান্ত করে ফেলায় ব্রাজিলের বিপক্ষে খেলতে গেলে তা হবে পঞ্চম ম্যাচ, যা ফিফা আইনের পরিপন্থী।
গত রোববার ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশনের (সিবিএফ) প্রতিনিধিদল ঢাকায় এসে ৫ বা ৬ অক্টোবর ম্যাচের একটি প্রাথমিক প্রস্তাব দিয়েছিল। কিন্তু সরকারি আর্থিক সহায়তার অভাব এবং ফিফার আইনি জটিলতা—এই দুইয়ের যাঁতাকলে পড়ে নেইমারদের ঢাকায় আনার স্বপ্ন এখন বাস্তবায়নের মুখ দেখার সম্ভাবনা খুবই কম।
মঙ্গলবার সাংবাদিকদের প্রতিমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দেন, স্রেফ একটা প্রদর্শনী ম্যাচের জন্য সরকারের বিপুল পরিমাণ অর্থ অপচয় করার মানসিকতা নেই। তিনি বাফুফেকে স্পষ্ট বার্তা দিয়ে বলেন, "আমার সঙ্গে বাফুফে সভাপতির কথা হয়েছে। আমি জানিয়ে দিয়েছি, সরকারের পক্ষে এই টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তবে বাফুফে যদি নিজস্ব উদ্যোগে বেসরকারি স্পনসর এনে ম্যাচটি আয়োজন করতে পারে, তবে সরকারের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।"
ঢাকায় হাই-প্রোফাইল ম্যাচ আয়োজনের বিশাল খরচের অভিজ্ঞতা বাফুফের নতুন নয়। এর আগে ২০১১ সালে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা ও নাইজেরিয়ার ম্যাচটি আয়োজন করতে বাফুফের প্রায় ৩.৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (তৎকালীন হিসেবে যা প্রায় ২৭ কোটি টাকা) খরচ হয়েছিল। সেবার করপোরেট স্পনসরশিপ, ব্যাংকঋণ এবং চড়া মূল্যের টিকিট বিক্রি করে ব্যয় মেটানো হয়েছিল। বর্তমান ডলার মূল্যের বিচারে এবার ব্রাজিলের মতো দলকে আনব নিশ্চিতভাবেই সেই খরচ আরও বহুগুণ বেড়ে যাবে।
ব্রাজিল দলের আগমন দেশের ফুটবলের কোনো মৌলিক পরিবর্তন আনবে না বলেও মনে করেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, "ব্রাজিলের মতো দল এলে দর্শকেরা হয়তো একটু আনন্দিত হবেন, কিন্তু তাদের সঙ্গে একটা ম্যাচ খেললেই যে বাংলাদেশের ফুটবলের মান রাতারাতি বদলে যাবে, এই ভাবনার সঙ্গে আমি একমত নই।"
শুধু অর্থনৈতিক সংকটই নয়, ম্যাচটির সামনে বড় প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়েছে আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থা ফিফার কঠোর নিয়ম। সেপ্টেম্বরের ফিফা উইন্ডোতে একটি দেশ সর্বোচ্চ ৪টি ‘টায়ার-১’ ম্যাচ খেলতে পারে। বাংলাদেশ ইতিমধ্যেই আসিয়ান কাপের ৪টি ম্যাচ চূড়ান্ত করে ফেলায় ব্রাজিলের বিপক্ষে খেলতে গেলে তা হবে পঞ্চম ম্যাচ, যা ফিফা আইনের পরিপন্থী।
গত রোববার ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশনের (সিবিএফ) প্রতিনিধিদল ঢাকায় এসে ৫ বা ৬ অক্টোবর ম্যাচের একটি প্রাথমিক প্রস্তাব দিয়েছিল। কিন্তু সরকারি আর্থিক সহায়তার অভাব এবং ফিফার আইনি জটিলতা—এই দুইয়ের যাঁতাকলে পড়ে নেইমারদের ঢাকায় আনার স্বপ্ন এখন বাস্তবায়নের মুখ দেখার সম্ভাবনা খুবই কম।

0 Comments