
ইস্টার্ন ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান মো. শওকত আলী চৌধুরীর বিরুদ্ধে যুক্তরাজ্য থেকে দুবাইয়ে ২৫ মিলিয়ন ডলার পাচারের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ অনুসন্ধানের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান বরাবর জমা দেওয়া এই সংক্রান্ত আবেদনটি আগামী ৩০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হাইকোর্ট নির্দেশ প্রদান করেছেন।
মঙ্গলবার এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি হামিদুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদেশের পাশাপাশি আদালত একটি রুলও জারি করেছেন। আন্তর্জাতিক সংস্থার সুনির্দিষ্ট তথ্য থাকা সত্ত্বেও কোনো আইনি ব্যবস্থা না নেওয়ায় বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কেন বিভাগীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে না, রুলে তা জানতে চাওয়া হয়েছে। বিএফআইইউ প্রধানসহ বিবাদীদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
ঘটনার বিবরণী থেকে জানা যায়, যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সি (এনসিএ) সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর অর্থসম্পদের বিষয়ে তদন্ত চালাতে গিয়ে শওকত আলী চৌধুরীর যুক্তরাজ্যের একটি ব্যাংক হিসাবে ২৫ মিলিয়ন ডলারের সন্ধান পায়। এই বিপুল পরিমাণ অর্থের আয়ের সঠিক উৎস জানতে চাইলে শওকত আলীর প্রদত্ত ব্যাখ্যা এনসিএ-র কাছে সন্তোষজনক মনে হয়নি। এরপরই বিষয়টি তারা বিএফআইইউ-কে আনুষ্ঠানিকভাবে রিপোর্ট করে।
অভিযোগ উঠেছে, এনসিএ অবহিত করার পরও বিএফআইইউ বিষয়টি নিয়ে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। ফলে চার সপ্তাহ পর এনসিএ সেই অর্থ অবমুক্ত করতে বাধ্য হয়। অর্থ ছাড় পাওয়ার পরপরই শওকত আলী চৌধুরী তা দ্রুত দুবাইয়ে স্থানান্তরিত করেন। পরবর্তীতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) তদন্তে জানতে পারে, তিনি তার আয়কর রিটার্নে এই বিপুল অর্থের তথ্য গোপন করেছেন। ফলে এনবিআর শওকত আলীর ওপর ১৩৬ কোটি টাকা কর এবং প্রায় ৩০৭ কোটি টাকা জরিমানা আরোপ করে।
যুক্তরাজ্যের এনসিএ-র রিপোর্ট সত্ত্বেও পাচার করা অর্থ ফিরিয়ে আনতে বা সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া দেখে গত ১২ আগস্ট দুদক চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন জানান সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এ এইচ এম রেজওয়ানুল সাঈদ। কিন্তু সেখানে দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ না দেখে তিনি চলতি সপ্তাহে হাইকোর্টে রিট আবেদনটি দায়ের করেন। রিটের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব, আইনজীবী মোহাম্মদ আলী এবং এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকী। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী কাজী আখতার হোসেন।
মঙ্গলবার এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি হামিদুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদেশের পাশাপাশি আদালত একটি রুলও জারি করেছেন। আন্তর্জাতিক সংস্থার সুনির্দিষ্ট তথ্য থাকা সত্ত্বেও কোনো আইনি ব্যবস্থা না নেওয়ায় বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কেন বিভাগীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে না, রুলে তা জানতে চাওয়া হয়েছে। বিএফআইইউ প্রধানসহ বিবাদীদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
ঘটনার বিবরণী থেকে জানা যায়, যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সি (এনসিএ) সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর অর্থসম্পদের বিষয়ে তদন্ত চালাতে গিয়ে শওকত আলী চৌধুরীর যুক্তরাজ্যের একটি ব্যাংক হিসাবে ২৫ মিলিয়ন ডলারের সন্ধান পায়। এই বিপুল পরিমাণ অর্থের আয়ের সঠিক উৎস জানতে চাইলে শওকত আলীর প্রদত্ত ব্যাখ্যা এনসিএ-র কাছে সন্তোষজনক মনে হয়নি। এরপরই বিষয়টি তারা বিএফআইইউ-কে আনুষ্ঠানিকভাবে রিপোর্ট করে।
অভিযোগ উঠেছে, এনসিএ অবহিত করার পরও বিএফআইইউ বিষয়টি নিয়ে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। ফলে চার সপ্তাহ পর এনসিএ সেই অর্থ অবমুক্ত করতে বাধ্য হয়। অর্থ ছাড় পাওয়ার পরপরই শওকত আলী চৌধুরী তা দ্রুত দুবাইয়ে স্থানান্তরিত করেন। পরবর্তীতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) তদন্তে জানতে পারে, তিনি তার আয়কর রিটার্নে এই বিপুল অর্থের তথ্য গোপন করেছেন। ফলে এনবিআর শওকত আলীর ওপর ১৩৬ কোটি টাকা কর এবং প্রায় ৩০৭ কোটি টাকা জরিমানা আরোপ করে।
যুক্তরাজ্যের এনসিএ-র রিপোর্ট সত্ত্বেও পাচার করা অর্থ ফিরিয়ে আনতে বা সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া দেখে গত ১২ আগস্ট দুদক চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন জানান সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এ এইচ এম রেজওয়ানুল সাঈদ। কিন্তু সেখানে দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ না দেখে তিনি চলতি সপ্তাহে হাইকোর্টে রিট আবেদনটি দায়ের করেন। রিটের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব, আইনজীবী মোহাম্মদ আলী এবং এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকী। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী কাজী আখতার হোসেন।

0 Comments