
নবনিযুক্ত পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. হুমায়ুন কবিরের নিয়োগ সম্পূর্ণ সাংবিধানিক ও আইনানুগ বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, সংবিধান ও দেশের প্রচলিত আইনের সমস্ত বিধিবিধান মেনেই তাঁকে টেকনোক্র্যাট কোটায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আইনের কোনো ধরনের লঙ্ঘন বা ব্যত্যয় ঘটেনি।
উল্লেখ্য, নবগঠিত মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পূর্বমুহূর্তে হুমায়ুন কবিরের ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ করা নিয়ে দেশজুড়ে নানা বিতর্ক ও প্রশ্ন উঠেছিল। সাংবিধানিক জটিলতা কিংবা বিদেশি নাগরিকত্বসংক্রান্ত বিধান নিয়ে বিভিন্ন মহলে নানা গুঞ্জন তৈরি হয়। তবে সমস্ত জল্পনা-কল্পনা উড়িয়ে দিয়ে আইনমন্ত্রী নিশ্চিত করেন যে, সরকার সম্পূর্ণ সাংবিধানিক পথ অনুসরণ করেই এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
আইনমন্ত্রী বলেন, "সংবিধানের আওতায় থেকেই প্রতিটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। হুমায়ুন কবিরের প্রতিমন্ত্রী পদে নিয়োগ এবং নাগরিকত্ব সংক্রান্ত বিষয়টি নিয়ে কোনো বিভ্রান্তির সুযোগ নেই। আইনি প্রক্রিয়ার প্রতিটি শর্ত পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বজায় রাখা হয়েছে।"
বাংলাদেশের সংবিধানের বিধান অনুযায়ী, জাতীয় সংসদে নির্বাচিত সদস্য না হওয়া সত্ত্বেও নির্দিষ্ট শতাংশ আসনে অভিজ্ঞ ও বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিদের 'টেকনোক্র্যাট' কোটায় মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ রয়েছে। সেই আলোকেই হুমায়ুন কবিরকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের খবর, তিনি নিয়ম মাফিক প্রয়োজনীয় নথি ও আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেই শপথ গ্রহণ করেছেন। আইনমন্ত্রীর এই কঠোর ও স্পষ্ট বক্তব্যের পর নিয়োগ ঘিরে তৈরি হওয়া রাজনৈতিক ও আইনি বিতর্কের সমাপ্তি ঘটবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞ মহল।
উল্লেখ্য, নবগঠিত মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পূর্বমুহূর্তে হুমায়ুন কবিরের ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ করা নিয়ে দেশজুড়ে নানা বিতর্ক ও প্রশ্ন উঠেছিল। সাংবিধানিক জটিলতা কিংবা বিদেশি নাগরিকত্বসংক্রান্ত বিধান নিয়ে বিভিন্ন মহলে নানা গুঞ্জন তৈরি হয়। তবে সমস্ত জল্পনা-কল্পনা উড়িয়ে দিয়ে আইনমন্ত্রী নিশ্চিত করেন যে, সরকার সম্পূর্ণ সাংবিধানিক পথ অনুসরণ করেই এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
আইনমন্ত্রী বলেন, "সংবিধানের আওতায় থেকেই প্রতিটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। হুমায়ুন কবিরের প্রতিমন্ত্রী পদে নিয়োগ এবং নাগরিকত্ব সংক্রান্ত বিষয়টি নিয়ে কোনো বিভ্রান্তির সুযোগ নেই। আইনি প্রক্রিয়ার প্রতিটি শর্ত পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বজায় রাখা হয়েছে।"
বাংলাদেশের সংবিধানের বিধান অনুযায়ী, জাতীয় সংসদে নির্বাচিত সদস্য না হওয়া সত্ত্বেও নির্দিষ্ট শতাংশ আসনে অভিজ্ঞ ও বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিদের 'টেকনোক্র্যাট' কোটায় মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ রয়েছে। সেই আলোকেই হুমায়ুন কবিরকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের খবর, তিনি নিয়ম মাফিক প্রয়োজনীয় নথি ও আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেই শপথ গ্রহণ করেছেন। আইনমন্ত্রীর এই কঠোর ও স্পষ্ট বক্তব্যের পর নিয়োগ ঘিরে তৈরি হওয়া রাজনৈতিক ও আইনি বিতর্কের সমাপ্তি ঘটবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞ মহল।

0 Comments