
রাজধানী ঢাকার বিস্তীর্ণ এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চলা তীব্র গ্যাস সংকট নাগরিক জীবনকে চরম বিপর্যস্ত করে তুলেছে। সপ্তাহের পর সপ্তাহ, এমনকি মাস কেটে গেলেও রান্নার পাইপলাইনে মিলছে না গ্যাস। ফলে বাধ্য হয়ে বিকল্প হিসেবে এলপিজি সিলিন্ডার, বৈদ্যুতিক চুলা (ইন্ডাকশন) কিংবা মাটির চুলার শরণাপন্ন হচ্ছেন নগরবাসী। এতে একদিকে যেমন সংসার খরচের চাপ হু হু করে বাড়ছে, অন্যদিকে দেখা দিচ্ছে অনাকাঙ্ক্ষিত স্বাস্থ্যঝুঁকি।
মিরপুর, শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া ও কালশীর মতো জনবহুল এলাকাগুলোতে গ্যাসের এই সংকট এখন নিত্যদিনের অভিশাপ। তিতাসের পাইপলাইনে গ্যাস না থাকলেও প্রতি মাসে গ্রাহকদের নিয়মিত গ্যাসের বিল গুনে যেতে হচ্ছে। এর ওপর বাড়তি যোগ হয়েছে সিলিন্ডার রিফিল এবং বৈদ্যুতিক চুলা ব্যবহারের অতিরিক্ত খরচ। শেওড়াপাড়ার বাসিন্দা আজমল হোসাইন জানান, গ্যাস না থাকায় তিনি ৭ হাজার টাকায় বৈদ্যুতিক চুলা কিনতে বাধ্য হয়েছেন। এতে আগে যেখানে তাঁর বিদ্যুৎ বিল আসত ১৫০০ টাকা, এখন তা বেড়ে হয়েছে ২৮০০ টাকা। একই ধরনের ভোগান্তিতে পড়েছেন গৃহিণী আয়েশা সিদ্দিকা; অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলেও তিতাসের নির্ধারিত গ্যাসের বিল তাঁকে দিতেই হচ্ছে।
অর্থনৈতিক চাপের পাশাপাশি নিরাপদ সুপেয় পানির অভাব ও স্বাস্থ্যগত সমস্যাও মারাত্মক রূপ নিয়েছে। গ্যাস না থাকায় পানি ফুটিয়ে খাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ফলে বাইরের এটিএম বুথের পানি খেয়ে অনেকেই ফুড পয়জনিং ও পেটের নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। অন্যদিকে, ঠিকমতো রান্না করতে না পেরে বাইরে থেকে খাবার কিনে খেতে গিয়ে গ্যাসট্রিকের সমস্যায় ভুগছেন শিক্ষার্থী ও ব্যাচেলররা। ব্যাচেলর মেসে থাকা শিক্ষার্থীদের মাসিক খরচ প্রায় দ্বিগুণ বেড়ে গেছে।
জ্বালানি খাত সূত্রে জানা গেছে, গত ৯ বছর ধরে দেশে দেশীয় গ্যাসের উৎপাদন ক্রমশ কমছে। এই ঘাটতি মেটাতে ২০১৮ সাল থেকে এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) আমদানি শুরু হয়। সম্প্রতি মহেশখালীর দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের যান্ত্রিক ত্রুটি এবং নতুন এলএনজি কার্গো পৌঁছাতে বিলম্ব হওয়ায় গ্যাস সরবরাহ চরমভাবে ব্যাহত হয়। যদিও সম্প্রতি নতুন কার্গো আসায় পাইপলাইনে সরবরাহ কিছুটা বাড়তে শুরু করেছে, তবে ঢাকার এই দীর্ঘদিনের সংকট পুরোপুরি কাটতে আরও সময় লাগবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। স্থায়ী কোনো সমাধান না হওয়া পর্যন্ত নগরবাসীর এই ভোগান্তি কমার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।
মিরপুর, শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া ও কালশীর মতো জনবহুল এলাকাগুলোতে গ্যাসের এই সংকট এখন নিত্যদিনের অভিশাপ। তিতাসের পাইপলাইনে গ্যাস না থাকলেও প্রতি মাসে গ্রাহকদের নিয়মিত গ্যাসের বিল গুনে যেতে হচ্ছে। এর ওপর বাড়তি যোগ হয়েছে সিলিন্ডার রিফিল এবং বৈদ্যুতিক চুলা ব্যবহারের অতিরিক্ত খরচ। শেওড়াপাড়ার বাসিন্দা আজমল হোসাইন জানান, গ্যাস না থাকায় তিনি ৭ হাজার টাকায় বৈদ্যুতিক চুলা কিনতে বাধ্য হয়েছেন। এতে আগে যেখানে তাঁর বিদ্যুৎ বিল আসত ১৫০০ টাকা, এখন তা বেড়ে হয়েছে ২৮০০ টাকা। একই ধরনের ভোগান্তিতে পড়েছেন গৃহিণী আয়েশা সিদ্দিকা; অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলেও তিতাসের নির্ধারিত গ্যাসের বিল তাঁকে দিতেই হচ্ছে।
অর্থনৈতিক চাপের পাশাপাশি নিরাপদ সুপেয় পানির অভাব ও স্বাস্থ্যগত সমস্যাও মারাত্মক রূপ নিয়েছে। গ্যাস না থাকায় পানি ফুটিয়ে খাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ফলে বাইরের এটিএম বুথের পানি খেয়ে অনেকেই ফুড পয়জনিং ও পেটের নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। অন্যদিকে, ঠিকমতো রান্না করতে না পেরে বাইরে থেকে খাবার কিনে খেতে গিয়ে গ্যাসট্রিকের সমস্যায় ভুগছেন শিক্ষার্থী ও ব্যাচেলররা। ব্যাচেলর মেসে থাকা শিক্ষার্থীদের মাসিক খরচ প্রায় দ্বিগুণ বেড়ে গেছে।
জ্বালানি খাত সূত্রে জানা গেছে, গত ৯ বছর ধরে দেশে দেশীয় গ্যাসের উৎপাদন ক্রমশ কমছে। এই ঘাটতি মেটাতে ২০১৮ সাল থেকে এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) আমদানি শুরু হয়। সম্প্রতি মহেশখালীর দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের যান্ত্রিক ত্রুটি এবং নতুন এলএনজি কার্গো পৌঁছাতে বিলম্ব হওয়ায় গ্যাস সরবরাহ চরমভাবে ব্যাহত হয়। যদিও সম্প্রতি নতুন কার্গো আসায় পাইপলাইনে সরবরাহ কিছুটা বাড়তে শুরু করেছে, তবে ঢাকার এই দীর্ঘদিনের সংকট পুরোপুরি কাটতে আরও সময় লাগবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। স্থায়ী কোনো সমাধান না হওয়া পর্যন্ত নগরবাসীর এই ভোগান্তি কমার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।

0 Comments