
ক্যানসার চিকিৎসায় এক যুগান্তকারী অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ—অস্ত্রোপচারের পরও শরীরে ক্যানসার ফিরে আসা ঠেকানো। এই কঠিন চ্যালেন্জ মোকাবেলায় বড় ধরনের সাফল্যের তথ্য নিশ্চিত করেছে খ্যাতনামা ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান মার্ক (Merck) ও মডার্না (Moderna)। যৌথ গবেষণায় তারা তৈরি করেছে ক্যানসারের ব্যক্তিনির্দিষ্ট বা পার্সোনালাইজড এমআরএনএ (mRNA) ভ্যাকসিন। প্রতিষ্ঠান দুটির দাবি, তাদের ‘ইন্টারপাথ-০০১’ (Interpath-001) নামক তৃতীয় ধাপের (Phase 3) ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালটি সফল হয়েছে।
সাধারণত অস্ত্রোপচারের পর ক্যানসারের অতি ক্ষুদ্র কণা শরীরে থেকে যায়, যা পরবর্তী দুই বছরের মধ্যে পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি করে। ক্যানসার প্রতিরোধে পেমব্রোলিজুমাব-এর মতো ইমিউনোথেরাপি ওষুধ টি-সেলকে সক্রিয় করে ক্যানসার কোষ ধ্বংসে কাজ করে। কিন্তু সোমাটিক মিউটেশনের কারণে একেক রোগীর ক্যানসার কোষের আচরণ একেক রকম হয়। ফলে প্রচলিত থেরাপি সবার জন্য সমান কার্যকর হতে পারে না।
এই সমস্যার সমাধানে বিজ্ঞানীরা নজর দেন ‘নিওঅ্যান্টিজেন’-এর ওপর। ক্যানসারে রূপান্তরের সময় কোষে যেসব অস্বাভাবিক প্রোটিনের টুকরো তৈরি হয়, সেগুলোই নিওঅ্যান্টিজেন। রোগীদের টিউমারের জিনোম সিকোয়েন্স বিশ্লেষণ করে মডার্না ও মার্ক তৈরি করেছে বিশেষ এমআরএনএ ওষুধ—‘ইনটিসমেরান অটোজিন’। লিপিন ন্যানোপার্টিকলের সাহায্যে এই এমআরএনএ কোড শরীরে ঢোকানো হলে ইমিউন সিস্টেম নির্দিষ্ট সেই ক্যানসার কোষগুলোকে শত্রু হিসেবে চিনতে পারে এবং তা ধ্বংস করে।
মেলানোমা বা ত্বকের ক্যানসার রোগীদের ওপর পরিচালিত ট্রায়ালের ফলাফল অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক। দেখা গেছে, এই এমআরএনএ ভ্যাকসিন এবং কিট্রুডা ওষুধ একসঙ্গে ব্যবহারের ফলে ক্যানসার ফিরে আসা বা মৃত্যুর ঝুঁকি ৪৯ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে। একই সঙ্গে সারা শরীরে ক্যানসার ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি কমেছে প্রায় ৫৯ শতাংশ। এরপর ১,১৩৭ জন মেলানোমা রোগীকে নিয়ে শুরু হওয়া তৃতীয় ধাপের ট্রায়ালেও প্রত্যাশিত সাফল্য অর্জিত হয়েছে বলে জানিয়েছে ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থা দুটি।
তবে এই সাফল্য চূড়ান্ত হলেও বিজ্ঞানীরা কিছুটা সতর্কতা অবলম্বন করছেন। কারণ, প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষ থেকে প্রাথমিক ফল ঘোষণা করা হলেও এখনও বিস্তারিত উপাত্তসহ কোনো পিয়ার-রিভিউড বৈজ্ঞানিক নিবন্ধ প্রকাশিত হয়নি। তা সত্ত্বেও, প্রযুক্তিটি ক্যানসার চিকিৎসায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। বর্তমানে মেলানোমার পাশাপাশি ফুসফুস, কিডনি, মূত্রথলি এবং প্যানক্রিয়াস বা অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসারের ওপরও এই প্রযুক্তির পরীক্ষা চালানো হচ্ছে, যা সফল হলে ভবিষ্যতে মারণরোগ ক্যানসার নিরাময় অনেক সহজ হয়ে উঠবে।
সাধারণত অস্ত্রোপচারের পর ক্যানসারের অতি ক্ষুদ্র কণা শরীরে থেকে যায়, যা পরবর্তী দুই বছরের মধ্যে পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি করে। ক্যানসার প্রতিরোধে পেমব্রোলিজুমাব-এর মতো ইমিউনোথেরাপি ওষুধ টি-সেলকে সক্রিয় করে ক্যানসার কোষ ধ্বংসে কাজ করে। কিন্তু সোমাটিক মিউটেশনের কারণে একেক রোগীর ক্যানসার কোষের আচরণ একেক রকম হয়। ফলে প্রচলিত থেরাপি সবার জন্য সমান কার্যকর হতে পারে না।
এই সমস্যার সমাধানে বিজ্ঞানীরা নজর দেন ‘নিওঅ্যান্টিজেন’-এর ওপর। ক্যানসারে রূপান্তরের সময় কোষে যেসব অস্বাভাবিক প্রোটিনের টুকরো তৈরি হয়, সেগুলোই নিওঅ্যান্টিজেন। রোগীদের টিউমারের জিনোম সিকোয়েন্স বিশ্লেষণ করে মডার্না ও মার্ক তৈরি করেছে বিশেষ এমআরএনএ ওষুধ—‘ইনটিসমেরান অটোজিন’। লিপিন ন্যানোপার্টিকলের সাহায্যে এই এমআরএনএ কোড শরীরে ঢোকানো হলে ইমিউন সিস্টেম নির্দিষ্ট সেই ক্যানসার কোষগুলোকে শত্রু হিসেবে চিনতে পারে এবং তা ধ্বংস করে।
মেলানোমা বা ত্বকের ক্যানসার রোগীদের ওপর পরিচালিত ট্রায়ালের ফলাফল অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক। দেখা গেছে, এই এমআরএনএ ভ্যাকসিন এবং কিট্রুডা ওষুধ একসঙ্গে ব্যবহারের ফলে ক্যানসার ফিরে আসা বা মৃত্যুর ঝুঁকি ৪৯ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে। একই সঙ্গে সারা শরীরে ক্যানসার ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি কমেছে প্রায় ৫৯ শতাংশ। এরপর ১,১৩৭ জন মেলানোমা রোগীকে নিয়ে শুরু হওয়া তৃতীয় ধাপের ট্রায়ালেও প্রত্যাশিত সাফল্য অর্জিত হয়েছে বলে জানিয়েছে ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থা দুটি।
তবে এই সাফল্য চূড়ান্ত হলেও বিজ্ঞানীরা কিছুটা সতর্কতা অবলম্বন করছেন। কারণ, প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষ থেকে প্রাথমিক ফল ঘোষণা করা হলেও এখনও বিস্তারিত উপাত্তসহ কোনো পিয়ার-রিভিউড বৈজ্ঞানিক নিবন্ধ প্রকাশিত হয়নি। তা সত্ত্বেও, প্রযুক্তিটি ক্যানসার চিকিৎসায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। বর্তমানে মেলানোমার পাশাপাশি ফুসফুস, কিডনি, মূত্রথলি এবং প্যানক্রিয়াস বা অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসারের ওপরও এই প্রযুক্তির পরীক্ষা চালানো হচ্ছে, যা সফল হলে ভবিষ্যতে মারণরোগ ক্যানসার নিরাময় অনেক সহজ হয়ে উঠবে।

0 Comments