
স্টিভ জবস বলতেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে অ্যাপল, আইফোন, ম্যাকবুক কিংবা আইপ্যাডের মতো বিপ্লবাত্মক সব প্রযুক্তিপণ্যের ছবি। তবে প্রযুক্তির বাইরেও সিলিকন ভ্যালির এই কিংবদন্তির ক্যারিয়ারে এমন একটি অধ্যায় রয়েছে, যা তাঁর জীবন ও আর্থিক ভাগ্য চিরতরে বদলে দিয়েছিল। আর সেটি কোনো কম্পিউটার বা স্মার্টফোন প্রযুক্তি নয়, বরং ছিল অ্যানিমেশন চলচ্চিত্রের ইতিহাস সৃষ্টিকারী সিনেমা—‘টয় স্টোরি’।
১৯৮৫ সালে নিজের হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান অ্যাপল থেকেই অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে বহিষ্কৃত হন স্টিভ জবস। মাত্র ৩০ বছর বয়সে এমন ধাক্কা তাঁকে মানসিকভাবে কিছুটা বিপর্যস্ত করে তুলেছিল। তবে হাল না ছেড়ে নতুন উদ্যমে কাজ শুরু করেন তিনি। ১৯৮৬ সালে প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা জর্জ লুকাসের ‘লুকাসফিল্ম’-এর কম্পিউটার গ্রাফিক্স বিভাগটি কিনে নেন জবস। জন্ম হয় স্বাধীন অ্যানিমেশন স্টুডিও ‘পিক্সার’-এর।
শুরুর দিকে পিক্সারের মূল লক্ষ্য ছিল উচ্চমানের গ্রাফিক্স কম্পিউটার ও সফটওয়্যার বিক্রি করা। কিন্তু সেই ব্যবসা একেবারেই জমাট বাঁধেনি। উল্টো লোকসান সামলাতে জবসকে নিজের পকেট থেকে প্রায় ৫০ মিলিয়ন (৫ কোটি) ডলার বিনিয়োগ করতে হয়। তবে পিক্সারের ক্রিয়েটিভ হেড জন ল্যাসেটার ও তাঁর দলের উদ্ভাবনী শক্তির ওপর জবসের অকৃত্রিম বিশ্বাস ছিল। এই ভালোবাসাই পিক্সারকে টিকিয়ে রাখে এবং ১৯৯১ সালে বিখ্যাত বিনোদন মাধ্যম ‘ডিজনি’র সঙ্গে যৌথভাবে একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য অ্যানিমেশন চলচ্চিত্র তৈরির ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
দীর্ঘ পরিশ্রমের পর ১৯৯৫ সালের ২২ নভেম্বর বড় পর্দায় মুক্তি পায় ‘টয় স্টোরি’। টম হ্যাঙ্কস ও টিম অ্যালেনের কণ্ঠ দেওয়া ‘উডি’ ও ‘বাজ লাইটইয়ার’ চরিত্রের গল্প প্রেক্ষাগৃহে অবিশ্বাস্য ঝড় তোলে। এটিই ছিল বিশ্বের প্রথম সম্পূর্ণ কম্পিউটার-অ্যানিমেটেড পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। মাত্র ৩০ মিলিয়ন ডলার বাজেটের সিনেমাটি বিশ্বজুড়ে আয়ের বিশ্বরেকর্ড গড়ে আয় করে নেয় ৩৬৫ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি, যা ছিল ১৯৯৫ সালের সর্বোচ্চ আয়কারী চলচ্চিত্র।
‘টয় স্টোরি’র এই অভূতপূর্ব সাফল্য পিক্সারকে শুধু নতুন বিশ্বমানের খ্যাতিই দেয়নি, রাতারাতি বদলে দেয় স্টিভ জবসের আর্থিক ভাগ্য। সিনেমাটি মুক্তির কয়েক দিনের মাথায় শেয়ারবাজারে আত্মপ্রকাশ করে পিক্সার। কোম্পানিটির বাজারমূল্য মুহূর্তে ১.৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছে যায়, যা স্টিভ জবসকে প্রথমবারের মতো সিলিকন ভ্যালির বাইরে বিনোদন জগতের মাধ্যমে এক ‘বিলিয়নিয়ার’ বা ধনকুবেরে পরিণত করে।
পরবর্তীতে ২০০৬ সালে প্রখ্যাত বিনোদন প্রতিষ্ঠান ডিজনি প্রায় ৭.৪ বিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে পিক্সারকে কিনে নেয়। এই চুক্তির ফলে স্টিভ জবস ডিজনির সবচেয়ে বড় একক শেয়ারহোল্ডারে পরিণত হন। অ্যাপল থেকে বিতাড়িত হয়ে জীবনের সবচেয়ে বড় ঝুঁকি নিয়ে পিক্সারে বিনিয়োগ করা এবং ‘টয় স্টোরি’ নির্মাণে পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া—স্টিভ জবসের ব্যবসায়ী ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় চাল হিসেবে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
১৯৮৫ সালে নিজের হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান অ্যাপল থেকেই অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে বহিষ্কৃত হন স্টিভ জবস। মাত্র ৩০ বছর বয়সে এমন ধাক্কা তাঁকে মানসিকভাবে কিছুটা বিপর্যস্ত করে তুলেছিল। তবে হাল না ছেড়ে নতুন উদ্যমে কাজ শুরু করেন তিনি। ১৯৮৬ সালে প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা জর্জ লুকাসের ‘লুকাসফিল্ম’-এর কম্পিউটার গ্রাফিক্স বিভাগটি কিনে নেন জবস। জন্ম হয় স্বাধীন অ্যানিমেশন স্টুডিও ‘পিক্সার’-এর।
শুরুর দিকে পিক্সারের মূল লক্ষ্য ছিল উচ্চমানের গ্রাফিক্স কম্পিউটার ও সফটওয়্যার বিক্রি করা। কিন্তু সেই ব্যবসা একেবারেই জমাট বাঁধেনি। উল্টো লোকসান সামলাতে জবসকে নিজের পকেট থেকে প্রায় ৫০ মিলিয়ন (৫ কোটি) ডলার বিনিয়োগ করতে হয়। তবে পিক্সারের ক্রিয়েটিভ হেড জন ল্যাসেটার ও তাঁর দলের উদ্ভাবনী শক্তির ওপর জবসের অকৃত্রিম বিশ্বাস ছিল। এই ভালোবাসাই পিক্সারকে টিকিয়ে রাখে এবং ১৯৯১ সালে বিখ্যাত বিনোদন মাধ্যম ‘ডিজনি’র সঙ্গে যৌথভাবে একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য অ্যানিমেশন চলচ্চিত্র তৈরির ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
দীর্ঘ পরিশ্রমের পর ১৯৯৫ সালের ২২ নভেম্বর বড় পর্দায় মুক্তি পায় ‘টয় স্টোরি’। টম হ্যাঙ্কস ও টিম অ্যালেনের কণ্ঠ দেওয়া ‘উডি’ ও ‘বাজ লাইটইয়ার’ চরিত্রের গল্প প্রেক্ষাগৃহে অবিশ্বাস্য ঝড় তোলে। এটিই ছিল বিশ্বের প্রথম সম্পূর্ণ কম্পিউটার-অ্যানিমেটেড পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। মাত্র ৩০ মিলিয়ন ডলার বাজেটের সিনেমাটি বিশ্বজুড়ে আয়ের বিশ্বরেকর্ড গড়ে আয় করে নেয় ৩৬৫ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি, যা ছিল ১৯৯৫ সালের সর্বোচ্চ আয়কারী চলচ্চিত্র।
‘টয় স্টোরি’র এই অভূতপূর্ব সাফল্য পিক্সারকে শুধু নতুন বিশ্বমানের খ্যাতিই দেয়নি, রাতারাতি বদলে দেয় স্টিভ জবসের আর্থিক ভাগ্য। সিনেমাটি মুক্তির কয়েক দিনের মাথায় শেয়ারবাজারে আত্মপ্রকাশ করে পিক্সার। কোম্পানিটির বাজারমূল্য মুহূর্তে ১.৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছে যায়, যা স্টিভ জবসকে প্রথমবারের মতো সিলিকন ভ্যালির বাইরে বিনোদন জগতের মাধ্যমে এক ‘বিলিয়নিয়ার’ বা ধনকুবেরে পরিণত করে।
পরবর্তীতে ২০০৬ সালে প্রখ্যাত বিনোদন প্রতিষ্ঠান ডিজনি প্রায় ৭.৪ বিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে পিক্সারকে কিনে নেয়। এই চুক্তির ফলে স্টিভ জবস ডিজনির সবচেয়ে বড় একক শেয়ারহোল্ডারে পরিণত হন। অ্যাপল থেকে বিতাড়িত হয়ে জীবনের সবচেয়ে বড় ঝুঁকি নিয়ে পিক্সারে বিনিয়োগ করা এবং ‘টয় স্টোরি’ নির্মাণে পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া—স্টিভ জবসের ব্যবসায়ী ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় চাল হিসেবে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

0 Comments