
ভয়াবহ রূপ নিয়ে চীন ও ভিয়েতনামে আছড়ে পড়েছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় 'নারা' (Typhoon Narra)। এর প্রভাবে দুই দেশেই শুরু হয়েছে মুষলধারে বৃষ্টিপাত, যার জেরে দেখা দিয়েছে ভয়াবহ বন্যা ও ধস। উপকূলীয় অঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় হাজার হাজার মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে বাধ্য হয়েছেন। স্থানীয় প্রশাসনের মতে, ঝড়ের তাণ্ডবে ভিয়েতনামের উত্তরাঞ্চলে ইতিমধ্যেই অন্তত একজনের প্রাণহানি ঘটেছে এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ক্রমশ বাড়ছে।
স্থানীয় প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, ঘূর্ণিঝড় নারার প্রভাবে ভিয়েতনামের উত্তরাঞ্চলীয় জেলাগুলোতে গত ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়েছে। বহু ঘরবাড়ি, প্রধান সড়ক ও বিস্তীর্ণ কৃষিজমি জলের তলায় তলিয়ে গেছে। পাহাড়ি এলাকাগুলোতে তৈরি হয়েছে চরম ভূমিধসের ঝুঁকি। উদ্ধারকর্মীরা ইতিমধ্যেই দুর্গত এলাকায় ত্রাণ পৌঁছানো এবং উদ্ধারকাজ শুরু করেছেন। নদীর জলসীমা বিপজ্জনকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ঝড়ের তীব্রতায় একাধিক অঞ্চলে বিদ্যুৎ সংযোগ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
অন্যদিকে, দক্ষিণ চীনেও নারার প্রভাব পড়েছে বেশ মারাত্মকভাবে। চীনের উপকূলীয় প্রদেশগুলোতে ভারী বৃষ্টির কারণে শহরের নিচু এলাকাগুলো জলমগ্ন হয়ে গেছে। নিরাপত্তার স্বার্থে বিমান চলাচল এবং রেল পরিষেবা সাময়িকভাবে ব্যাহত হয়েছে। সমুদ্র বন্দরগুলোতে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে না যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়ার চরম পরিস্থিতির কারণে বেশ কিছু স্কুলে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
আবহাওয়াবিদদের মতে, আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা এই ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটার পাশাপাশি নতুন করে ভূমিধসের আশঙ্কা করা হচ্ছে। উভয় দেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ উদ্ধারকারী দলগুলোকে সার্বক্ষণিক সতর্ক অবস্থায় রেখেছে এবং সাধারণ মানুষকে প্রয়োজনীয় পূর্বপ্রস্তুতি নিয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।
স্থানীয় প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, ঘূর্ণিঝড় নারার প্রভাবে ভিয়েতনামের উত্তরাঞ্চলীয় জেলাগুলোতে গত ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়েছে। বহু ঘরবাড়ি, প্রধান সড়ক ও বিস্তীর্ণ কৃষিজমি জলের তলায় তলিয়ে গেছে। পাহাড়ি এলাকাগুলোতে তৈরি হয়েছে চরম ভূমিধসের ঝুঁকি। উদ্ধারকর্মীরা ইতিমধ্যেই দুর্গত এলাকায় ত্রাণ পৌঁছানো এবং উদ্ধারকাজ শুরু করেছেন। নদীর জলসীমা বিপজ্জনকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ঝড়ের তীব্রতায় একাধিক অঞ্চলে বিদ্যুৎ সংযোগ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
অন্যদিকে, দক্ষিণ চীনেও নারার প্রভাব পড়েছে বেশ মারাত্মকভাবে। চীনের উপকূলীয় প্রদেশগুলোতে ভারী বৃষ্টির কারণে শহরের নিচু এলাকাগুলো জলমগ্ন হয়ে গেছে। নিরাপত্তার স্বার্থে বিমান চলাচল এবং রেল পরিষেবা সাময়িকভাবে ব্যাহত হয়েছে। সমুদ্র বন্দরগুলোতে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে না যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়ার চরম পরিস্থিতির কারণে বেশ কিছু স্কুলে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
আবহাওয়াবিদদের মতে, আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা এই ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটার পাশাপাশি নতুন করে ভূমিধসের আশঙ্কা করা হচ্ছে। উভয় দেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ উদ্ধারকারী দলগুলোকে সার্বক্ষণিক সতর্ক অবস্থায় রেখেছে এবং সাধারণ মানুষকে প্রয়োজনীয় পূর্বপ্রস্তুতি নিয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।

0 Comments