সিরিয়াতে বাশার আল-আসাদের সাবেক সরকারের অন্যতম শীর্ষ ধর্মীয় কর্মকর্তা ও সাবেক গ্র্যান্ড মুফতি আহমেদ হাসুনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে। দেশের দীর্ঘ প্রায় ১৪ বছরের রক্তক্ষয়ী গৃহযুদ্ধে সরাসরি মানবতাবিরোধী এবং যুদ্ধাপরাধে ইন্ধন দেওয়ার অভিযোগে তাকে এই সাজা দেওয়া হয়। সাধারণ মানুষের কাছে তিনি কুখ্যাত ‘ব্যারেল বোমা মুফতি’ নামেই অধিক পরিচিত ছিলেন।
সিরিয়ার সাধারণ মানুষের ওপর আসাদ সরকারের নির্মম নিপীড়ন এবং নির্বিচারে বোমা বর্ষণের পক্ষে প্রকাশ্যে ফতোয়া ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার একাধিক অভিযোগ রয়েছে আহমেদ হাসুনের বিরুদ্ধে। বিশেষ করে সিরিয়ার বিদ্রোহী অধ্যুষিত বেসামরিক এলাকাগুলোতে আসাদ বাহিনীর হেলিকপ্টার থেকে ফেলা বিধ্বংসী ‘ব্যারেল বোমা’ নিক্ষেপের ঘটনায় তিনি প্রকাশ্য সমর্থন জানিয়েছিলেন। সাধারণ মানুষ ও শিশুদের ওপর এই ভয়াবহ অস্ত্রের ব্যবহারকে ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করায় বিশ্বজুড়ে তিনি তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন।
দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে চলা সিরিয়ার ভয়াবহ গৃহযুদ্ধে বহু নিরীহ মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে এবং লাখ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। আসাদ সরকারের এই দীর্ঘ নিপীড়নমূলক শাসনে হাসুন তার ধর্মীয় পদমর্যাদাকে রাজনৈতিক ও সামরিক স্বার্থে ব্যবহার করেছিলেন। তিনি সরকারের সামরিক বাহিনীর ভয়াবহ পদক্ষেপগুলোকে ধর্মীয় বাধ্যবাধকতা হিসেবে প্রচার করতেন এবং প্রতিপক্ষ ও বিরোধীদের নির্মূল করার আহ্বান জানাতেন।
আদালত তার পর্যবেক্ষণে জানান, আহমেদ হাসুন ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিরীহ নাগরিকদের ওপর সংগঠিত অপরাধকে উৎসাহিত করেছেন এবং গৃহযুদ্ধকে আরও উসকে দিয়েছেন। মানবাধিকার সংগঠনগুলো এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা এই রায়কে স্বাগত জানিয়েছেন। এটিকে সিরিয়ায় দীর্ঘ দিন ধরে চলে আসা অপশাসনের শিকার হওয়া ভুক্তভোগীদের জন্য একটি ঐতিহাসিক বিচারিক সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সিরিয়ার সাধারণ মানুষের ওপর আসাদ সরকারের নির্মম নিপীড়ন এবং নির্বিচারে বোমা বর্ষণের পক্ষে প্রকাশ্যে ফতোয়া ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার একাধিক অভিযোগ রয়েছে আহমেদ হাসুনের বিরুদ্ধে। বিশেষ করে সিরিয়ার বিদ্রোহী অধ্যুষিত বেসামরিক এলাকাগুলোতে আসাদ বাহিনীর হেলিকপ্টার থেকে ফেলা বিধ্বংসী ‘ব্যারেল বোমা’ নিক্ষেপের ঘটনায় তিনি প্রকাশ্য সমর্থন জানিয়েছিলেন। সাধারণ মানুষ ও শিশুদের ওপর এই ভয়াবহ অস্ত্রের ব্যবহারকে ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করায় বিশ্বজুড়ে তিনি তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন।
দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে চলা সিরিয়ার ভয়াবহ গৃহযুদ্ধে বহু নিরীহ মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে এবং লাখ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। আসাদ সরকারের এই দীর্ঘ নিপীড়নমূলক শাসনে হাসুন তার ধর্মীয় পদমর্যাদাকে রাজনৈতিক ও সামরিক স্বার্থে ব্যবহার করেছিলেন। তিনি সরকারের সামরিক বাহিনীর ভয়াবহ পদক্ষেপগুলোকে ধর্মীয় বাধ্যবাধকতা হিসেবে প্রচার করতেন এবং প্রতিপক্ষ ও বিরোধীদের নির্মূল করার আহ্বান জানাতেন।
আদালত তার পর্যবেক্ষণে জানান, আহমেদ হাসুন ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিরীহ নাগরিকদের ওপর সংগঠিত অপরাধকে উৎসাহিত করেছেন এবং গৃহযুদ্ধকে আরও উসকে দিয়েছেন। মানবাধিকার সংগঠনগুলো এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা এই রায়কে স্বাগত জানিয়েছেন। এটিকে সিরিয়ায় দীর্ঘ দিন ধরে চলে আসা অপশাসনের শিকার হওয়া ভুক্তভোগীদের জন্য একটি ঐতিহাসিক বিচারিক সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।

0 Comments