
চীনের বেইজিংয়ে মঙ্গলবার ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল এবং চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বৈঠক করেন। বৈঠকে বিতর্কিত সীমান্তের কিছু অংশের সীমানা নির্ধারণ নিয়ে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার কথা জানিয়েছে ভারত ও চীন।
বেইজিংয়ে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস একটি বিবৃতি দিয়েছে। এতে বলা হয়, দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও বাড়ানোর উপায় নিয়ে দুই পক্ষ আলোচনা করেছে। সীমান্ত এলাকায় স্থিতিশীলতা, শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখার বিষয়েও তারা কথা বলেছে। এ ছাড়া আন্তসীমান্ত সহযোগিতার চলমান কাজ অব্যাহত রেখে সীমানা নির্ধারণের ক্ষেত্রে অগ্রগতি অর্জনের বিষয়টিও তাদের আলোচনায় স্থান পেয়েছে।
প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার (এলএসি) ঠিক কোন কোন অংশে সীমানা নির্ধারণের কথা ভাবা হচ্ছে, সে বিষয়ে কোনো পক্ষই বিস্তারিত কিছু জানায়নি। তবে গত বছর এসআর পর্যায়ের বৈঠকে দুই পক্ষ একটি ওয়ার্কিং গ্রুপ বা কার্যকরী দল গঠনে একমত হয়েছিল। এলএসির কিছু অংশে দ্রুত সীমানা নির্ধারণের (আর্লি হারভেস্ট) সম্ভাব্যতা যাচাই করাই ছিল এই দলের কাজ।
ওয়াং ই বলেন, গত বছর এসআর পর্যায়ের আলোচনা নতুন করে শুরু হয়েছে। এর পাশাপাশি দুই দেশের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোগুলোও আবার সচল হচ্ছে। সীমান্ত এলাকায় শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে দুই পক্ষই কঠোর পরিশ্রম করছে।
গত বছরের আলোচনার প্রসঙ্গও টেনে আনেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেন, সীমানা নির্ধারণ ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনার বিষয়ে দুই পক্ষ কিছু সাধারণ সমঝোতায় পৌঁছেছিল। পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো নির্মাণ এবং আন্তসীমান্ত সহযোগিতার বিষয়েও তারা একমত হয়েছিল।
চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘এক বছর ধরে আমাদের দুই পক্ষ এসব সমঝোতা বাস্তবে রূপ দিতে কাজ করেছে। এ ক্ষেত্রে ভালো অগ্রগতিও অর্জিত হয়েছে।’
বেইজিংয়ে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস একটি বিবৃতি দিয়েছে। এতে বলা হয়, দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও বাড়ানোর উপায় নিয়ে দুই পক্ষ আলোচনা করেছে। সীমান্ত এলাকায় স্থিতিশীলতা, শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখার বিষয়েও তারা কথা বলেছে। এ ছাড়া আন্তসীমান্ত সহযোগিতার চলমান কাজ অব্যাহত রেখে সীমানা নির্ধারণের ক্ষেত্রে অগ্রগতি অর্জনের বিষয়টিও তাদের আলোচনায় স্থান পেয়েছে।
প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার (এলএসি) ঠিক কোন কোন অংশে সীমানা নির্ধারণের কথা ভাবা হচ্ছে, সে বিষয়ে কোনো পক্ষই বিস্তারিত কিছু জানায়নি। তবে গত বছর এসআর পর্যায়ের বৈঠকে দুই পক্ষ একটি ওয়ার্কিং গ্রুপ বা কার্যকরী দল গঠনে একমত হয়েছিল। এলএসির কিছু অংশে দ্রুত সীমানা নির্ধারণের (আর্লি হারভেস্ট) সম্ভাব্যতা যাচাই করাই ছিল এই দলের কাজ।
ওয়াং ই বলেন, গত বছর এসআর পর্যায়ের আলোচনা নতুন করে শুরু হয়েছে। এর পাশাপাশি দুই দেশের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোগুলোও আবার সচল হচ্ছে। সীমান্ত এলাকায় শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে দুই পক্ষই কঠোর পরিশ্রম করছে।
গত বছরের আলোচনার প্রসঙ্গও টেনে আনেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেন, সীমানা নির্ধারণ ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনার বিষয়ে দুই পক্ষ কিছু সাধারণ সমঝোতায় পৌঁছেছিল। পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো নির্মাণ এবং আন্তসীমান্ত সহযোগিতার বিষয়েও তারা একমত হয়েছিল।
চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘এক বছর ধরে আমাদের দুই পক্ষ এসব সমঝোতা বাস্তবে রূপ দিতে কাজ করেছে। এ ক্ষেত্রে ভালো অগ্রগতিও অর্জিত হয়েছে।’

0 Comments