
দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) হাতে আটক হওয়া রহস্যময় তরল পদার্থটি যে সাপের বিষ, রাসায়নিক পরীক্ষার পর অবশেষে তার চূড়ান্ত সত্যতা পাওয়া গেছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর বিজিবি সদর দপ্তর আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে, জব্দ করা কাচের জারে থাকা ৫ কেজি ৭০০ গ্রাম তরল প্রকৃতপক্ষে অত্যন্ত বিপজ্জনক ও মহামূল্যবান সাপের বিষ। এই বিষের বিশাল চালান, পরিবহন কাজে ব্যবহৃত যানবাহন ও অন্যান্য উদ্ধারকৃত মালামালের আনুমানিক বাজারমূল্য ৩৮ কোটি ৫৭ লাখ ৩ হাজার ৮০০ টাকা।
শুক্রবার বিজিবি সদর দপ্তরের গণমাধ্যম শাখা থেকে পাঠানো এক বিশেষ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে চাঞ্চল্যকর এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করা হয়েছে। এর আগে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চিরিরবন্দর এলাকায় অভিযান চালিয়ে সীমান্ত রক্ষী বাহিনী কোটি কোটি টাকার এই বিষসহ আন্তর্জাতিক পাচারকারী চক্রের চার সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করে।
বিজিবি সূত্রের খবর, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী উদ্ধারকৃত তরল পদার্থের নমুনা পরীক্ষার জন্য দিনাজপুরের ঐতিহ্যবাহী হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়। গত বুধবার ল্যাবরেটরিতে বৈজ্ঞানিক উপায়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করার পর গবেষকরা নিশ্চিত করেন যে, সংগৃহীত নমুনাটি উচ্চমাত্রার সাপের বিষ।
আটক আসামিরা বিজিবির প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে, তারা একটি সংঘবদ্ধ আন্তর্জাতিক চোরাচালান চক্রের সদস্য হিসেবে কাজ করছে। বহু দিন ধরে তারা সীমান্ত রুট ব্যবহার করে পার্শ্ববর্তী দেশসহ বিভিন্ন রাষ্ট্রে বিরল ও মহামূল্যবান সাপের বিষ পাচার করে আসছিল। এই চালানটিও ভারতে কিংবা অন্য কোনো দেশে পাচারের উদ্দেশ্যেই চিরিরবন্দরে গোপন আস্তানায় জড়ো করা হয়েছিল। অভিযান শেষে আটক ব্যক্তিদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ বিষয়ে বিজিবির দিনাজপুর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবদুল্লাহ আল মঈন হাসান বলেন, অতি মূল্যবান সম্পদ ও বন্যপ্রাণীজাত পণ্যের যেকোনো ধরনের অবৈধ পাচার রোধে বিজিবি সদস্যরা দিনরাত সতর্ক ও তৎপর রয়েছেন। সীমান্ত দিয়ে সাপের বিষ, মাদক, অস্ত্র ও মানব পাচারের মতো জঘন্য আন্তসীমান্ত অপরাধ দমনে তাদের এই কঠোর অবস্থান ও অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
শুক্রবার বিজিবি সদর দপ্তরের গণমাধ্যম শাখা থেকে পাঠানো এক বিশেষ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে চাঞ্চল্যকর এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করা হয়েছে। এর আগে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চিরিরবন্দর এলাকায় অভিযান চালিয়ে সীমান্ত রক্ষী বাহিনী কোটি কোটি টাকার এই বিষসহ আন্তর্জাতিক পাচারকারী চক্রের চার সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করে।
বিজিবি সূত্রের খবর, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী উদ্ধারকৃত তরল পদার্থের নমুনা পরীক্ষার জন্য দিনাজপুরের ঐতিহ্যবাহী হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়। গত বুধবার ল্যাবরেটরিতে বৈজ্ঞানিক উপায়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করার পর গবেষকরা নিশ্চিত করেন যে, সংগৃহীত নমুনাটি উচ্চমাত্রার সাপের বিষ।
আটক আসামিরা বিজিবির প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে, তারা একটি সংঘবদ্ধ আন্তর্জাতিক চোরাচালান চক্রের সদস্য হিসেবে কাজ করছে। বহু দিন ধরে তারা সীমান্ত রুট ব্যবহার করে পার্শ্ববর্তী দেশসহ বিভিন্ন রাষ্ট্রে বিরল ও মহামূল্যবান সাপের বিষ পাচার করে আসছিল। এই চালানটিও ভারতে কিংবা অন্য কোনো দেশে পাচারের উদ্দেশ্যেই চিরিরবন্দরে গোপন আস্তানায় জড়ো করা হয়েছিল। অভিযান শেষে আটক ব্যক্তিদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ বিষয়ে বিজিবির দিনাজপুর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবদুল্লাহ আল মঈন হাসান বলেন, অতি মূল্যবান সম্পদ ও বন্যপ্রাণীজাত পণ্যের যেকোনো ধরনের অবৈধ পাচার রোধে বিজিবি সদস্যরা দিনরাত সতর্ক ও তৎপর রয়েছেন। সীমান্ত দিয়ে সাপের বিষ, মাদক, অস্ত্র ও মানব পাচারের মতো জঘন্য আন্তসীমান্ত অপরাধ দমনে তাদের এই কঠোর অবস্থান ও অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

0 Comments