
যুক্তরাষ্ট্রের নেভাডা অঙ্গরাজ্যের রিনো শহরের কাছে সিয়েরা নেভাডা পর্বতমালায় ছড়িয়ে পড়া ভয়াবহ দাবানল কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে। তবে পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি ঝুঁকিমুক্ত নয়। সোমবার বিকেল পর্যন্ত এই প্রলয়ঙ্করি দাবানলের ২৭ শতাংশ নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছেন দমকলকর্মীরা। দাবানলের তাণ্ডবে ইতোমধ্যে হাজার হাজার মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন এবং বহু আবাসিক এলাকা ভস্মীভূত হয়েছে।
উদ্ধারকারী দল ও স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, আগুনে অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে তিনজন জরুরি সেবাকর্মী এবং চারজন সাধারণ নাগরিক। গত শনিবার শুরু হওয়া 'হক ফায়ার' নামে পরিচিত এই দাবানল রবিবারের মধ্যেই প্রায় ৬০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। এতে অন্তত ৩২টি ঘরবাড়ি সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে এবং আরও ছয়টি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত এলাকাগুলোতে সমীক্ষা শুরু হলে ক্ষয়ক্ষতির এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন স্থানীয় ওয়াশো কাউন্টির কর্মকর্তারা।
সাপ্তাহিক ছুটির দিনে দাবানল হঠাৎ তীব্র রূপ নিলে প্রায় ৯০ হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে বাতাসের গতি কিছুটা কমায় সরে যাওয়া মানুষের সংখ্যা কমিয়ে প্রায় ৬৩ হাজারে আনা হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে নেভাডার গভর্নর ওয়াশো কাউন্টিতে জরুরি অবস্থা জারি করেছেন এবং আকাশপথে আগুন নেভানো ও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পাহারায় 'ন্যাশনাল গার্ড' মোতায়েন করেছেন। জরুরি যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ও নিরাপত্তার স্বার্থে স্থানীয় সব স্কুল বন্ধ রাখা হয়েছে।
রিনো শহরের মেয়র হিলারি শিভ পরিস্থিতির ভয়াবহতা বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, 'আগুন যেভাবে চোখের পলকে ছড়িয়ে পড়েছিল, তা অত্যন্ত আতঙ্কজনক। এমন ধ্বংসাত্মক রূপ আমি আগে কখনো দেখিনি।' ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গত দুই সপ্তাহে এই অঞ্চলে এটি তৃতীয় বৃহত্তম দাবানলের ঘটনা, যার পেছনে মূলত অসাবধানতা ও মানবসৃষ্ট কারণ দায়ী।
উল্লেখ্য, অতিরিক্ত শুষ্ক আবহাওয়া ও তীব্র বাতাসের কারণে চলতি গ্রীষ্মে পুরো যুক্তরাষ্ট্র জুড়েই দাবানলের প্রকোপ আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। ন্যাশনাল ইন্টারএজেন্সি ফায়ার সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্রে ইতোমধ্যে ৫০ হাজারের বেশি দাবানলের ঘটনা ঘটেছে, যা গত এক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ রেকর্ড।
উদ্ধারকারী দল ও স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, আগুনে অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে তিনজন জরুরি সেবাকর্মী এবং চারজন সাধারণ নাগরিক। গত শনিবার শুরু হওয়া 'হক ফায়ার' নামে পরিচিত এই দাবানল রবিবারের মধ্যেই প্রায় ৬০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। এতে অন্তত ৩২টি ঘরবাড়ি সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে এবং আরও ছয়টি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত এলাকাগুলোতে সমীক্ষা শুরু হলে ক্ষয়ক্ষতির এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন স্থানীয় ওয়াশো কাউন্টির কর্মকর্তারা।
সাপ্তাহিক ছুটির দিনে দাবানল হঠাৎ তীব্র রূপ নিলে প্রায় ৯০ হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে বাতাসের গতি কিছুটা কমায় সরে যাওয়া মানুষের সংখ্যা কমিয়ে প্রায় ৬৩ হাজারে আনা হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে নেভাডার গভর্নর ওয়াশো কাউন্টিতে জরুরি অবস্থা জারি করেছেন এবং আকাশপথে আগুন নেভানো ও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পাহারায় 'ন্যাশনাল গার্ড' মোতায়েন করেছেন। জরুরি যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ও নিরাপত্তার স্বার্থে স্থানীয় সব স্কুল বন্ধ রাখা হয়েছে।
রিনো শহরের মেয়র হিলারি শিভ পরিস্থিতির ভয়াবহতা বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, 'আগুন যেভাবে চোখের পলকে ছড়িয়ে পড়েছিল, তা অত্যন্ত আতঙ্কজনক। এমন ধ্বংসাত্মক রূপ আমি আগে কখনো দেখিনি।' ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গত দুই সপ্তাহে এই অঞ্চলে এটি তৃতীয় বৃহত্তম দাবানলের ঘটনা, যার পেছনে মূলত অসাবধানতা ও মানবসৃষ্ট কারণ দায়ী।
উল্লেখ্য, অতিরিক্ত শুষ্ক আবহাওয়া ও তীব্র বাতাসের কারণে চলতি গ্রীষ্মে পুরো যুক্তরাষ্ট্র জুড়েই দাবানলের প্রকোপ আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। ন্যাশনাল ইন্টারএজেন্সি ফায়ার সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্রে ইতোমধ্যে ৫০ হাজারের বেশি দাবানলের ঘটনা ঘটেছে, যা গত এক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ রেকর্ড।

0 Comments