চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরছিলেন দাদি–নাতনি, ট্রেনে কাটা পড়ে মৃত্যু

রেলওয়ে পুলিশ ও নিহত দুজনের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জোসনা বেগম কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসেছিলেন। সঙ্গে ছিল নাতনি চাঁদনী। চিকিৎসা শেষে তাঁরা বাড়ি ফেরার জন্য কুমিল্লা রেলওয়ে স্টেশনসংলগ্ন শাসনগাছা বাস টার্মিনালের দিকে যাচ্ছিলেন।

গতকাল সন্ধ্যার দিকে শাসনগাছা এলাকায় রেললাইন পার হওয়ার সময় ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী সুবর্ণ এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে তাঁরা কাটা পড়েন। এতে ঘটনাস্থলেই দুজনের মৃত্যু হয়। পরে রেলওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে কুমিল্লা রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় নিয়ে যায়।

লাকসাম রেলওয়ে থানার আওতাধীন কুমিল্লা স্টেশন ফাঁড়ির সহকারী উপপরিদর্শক মামুনুর রশিদ বলেন, মরদেহের পরিচয় শনাক্তে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ফরেনসিক টিম কাজ করে। পরে পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়।

ঘটনার পর শাসনগাছা এলাকায় রেললাইনের আশপাশে স্থানীয় লোকজন জড়ো হন। স্থানীয় বাসিন্দাদের কয়েকজনের ভাষ্য, রেললাইন পারাপারের সময় ট্রেন আসছে কি না, তা খেয়াল না করায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।

নিহত দুজনের এক স্বজন জোহরা বেগম বলেন, তাঁরা গতকাল রাত আনুমানিক সাড়ে আটটার দিকে পুলিশের মাধ্যমে মুঠোফোনে দুর্ঘটনার খবর পান। পরে রেলস্টেশনে এসে তাঁদের মরদেহ দেখতে পান।

আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ দুটি স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানায় রেলওয়ে পুলিশ। এ ঘটনায় লাকসাম রেলওয়ে থানায় অপমৃত্যুর মামলা হবে।

Post a Comment

0 Comments