
বন্দরনগরী চট্টগ্রামের সুপরিকল্পিত ও দীর্ঘমেয়াদি টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) উদ্যোগে বাস্তবায়নাধীন ‘চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকার মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন’ প্রকল্পের খসড়া মহাপরিকল্পনা নিয়ে ‘পরিকল্পিত চট্টগ্রাম ফোরাম’ (এফপিসি)-এর এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। খসড়া মহাপরিকল্পনার ওপর জনমত সংগ্রহের চলমান কর্মসূচির অংশ হিসেবে মঙ্গলবার বিকেলে সিডিএ-এর সভাকক্ষে এই আলোচনার আয়োজন করা হয়।
সভায় প্রকল্পের সার্বিক চিত্র ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরে মাস্টারপ্ল্যান প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. আবু ঈসা আনছারী একটি বিস্তারিত ও তথ্যবহুল উপস্থাপনা প্রদান করেন। উপস্থাপনা শেষে পরিকল্পিত চট্টগ্রাম ফোরামের (এফপিসি) প্রতিনিধি দল খসড়া মহাপরিকল্পনার বিভিন্ন কারিগরি, পরিবেশগত ও কৌশলগত দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এসময় তারা চট্টগ্রামকে একটি আধুনিক, দুর্যোগ-সহনশীল ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে একাধিক পর্যবেক্ষণ, বস্তুনিষ্ঠ মতামত এবং গঠনমূলক সুপারিশ পেশ করেন। বক্তারা জোর দিয়ে বলেন, মহাপরিকল্পনাটি যেন কেবল কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ না থেকে বাস্তবভিত্তিক ও বাস্তবায়নযোগ্য হয় এবং নগরীর সব স্তরের অংশীজনের মতামতের প্রতিফলন ঘটায়।
উক্ত মতবিনিময় সভায় সিডিএ-এর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন, সার্বক্ষণিক সদস্য মো. জামিলুর রহমান এবং প্রকল্প পরিচালক মো. আবু ঈসা আনছারী। অন্যদিকে পরিকল্পিত চট্টগ্রাম ফোরামের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন বিশিষ্ট স্থপতি জেরিনা হোসেন, ফারুক আহমেদ, মো. শাহীনুল ইসলাম খান, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. মনজুরুল কিবরীয়া, প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার, মুহাম্মদ সিকান্দার খান, মো. জাফর আলম, এস এম শহীদ, এবিএমএ বাসেত এবং তসলিমা মুনা।
সভায় সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন বলেন, “একটি আধুনিক ও কার্যকর মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য নগর পরিকল্পনাবিদ, প্রকৌশলী, পেশাজীবী সংগঠন এবং সুশীল সমাজের অভিজ্ঞতা ও গঠনমূলক মতামত অত্যন্ত জরুরি।” তিনি আরও জানান, খসড়া মহাপরিকল্পনার ওপর বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছ থেকে প্রাপ্ত যৌক্তিক ও বাস্তবসম্মত পরামর্শগুলো গভীর মনোযোগের সঙ্গে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। সবার সম্মিলিত সহযোগিতায় চট্টগ্রামবাসীর আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটিয়ে একটি সমন্বিত চূড়ান্ত মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।
সভায় প্রকল্পের সার্বিক চিত্র ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরে মাস্টারপ্ল্যান প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. আবু ঈসা আনছারী একটি বিস্তারিত ও তথ্যবহুল উপস্থাপনা প্রদান করেন। উপস্থাপনা শেষে পরিকল্পিত চট্টগ্রাম ফোরামের (এফপিসি) প্রতিনিধি দল খসড়া মহাপরিকল্পনার বিভিন্ন কারিগরি, পরিবেশগত ও কৌশলগত দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এসময় তারা চট্টগ্রামকে একটি আধুনিক, দুর্যোগ-সহনশীল ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে একাধিক পর্যবেক্ষণ, বস্তুনিষ্ঠ মতামত এবং গঠনমূলক সুপারিশ পেশ করেন। বক্তারা জোর দিয়ে বলেন, মহাপরিকল্পনাটি যেন কেবল কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ না থেকে বাস্তবভিত্তিক ও বাস্তবায়নযোগ্য হয় এবং নগরীর সব স্তরের অংশীজনের মতামতের প্রতিফলন ঘটায়।
উক্ত মতবিনিময় সভায় সিডিএ-এর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন, সার্বক্ষণিক সদস্য মো. জামিলুর রহমান এবং প্রকল্প পরিচালক মো. আবু ঈসা আনছারী। অন্যদিকে পরিকল্পিত চট্টগ্রাম ফোরামের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন বিশিষ্ট স্থপতি জেরিনা হোসেন, ফারুক আহমেদ, মো. শাহীনুল ইসলাম খান, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. মনজুরুল কিবরীয়া, প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার, মুহাম্মদ সিকান্দার খান, মো. জাফর আলম, এস এম শহীদ, এবিএমএ বাসেত এবং তসলিমা মুনা।
সভায় সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন বলেন, “একটি আধুনিক ও কার্যকর মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য নগর পরিকল্পনাবিদ, প্রকৌশলী, পেশাজীবী সংগঠন এবং সুশীল সমাজের অভিজ্ঞতা ও গঠনমূলক মতামত অত্যন্ত জরুরি।” তিনি আরও জানান, খসড়া মহাপরিকল্পনার ওপর বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছ থেকে প্রাপ্ত যৌক্তিক ও বাস্তবসম্মত পরামর্শগুলো গভীর মনোযোগের সঙ্গে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। সবার সম্মিলিত সহযোগিতায় চট্টগ্রামবাসীর আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটিয়ে একটি সমন্বিত চূড়ান্ত মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।

0 Comments